ধর্মমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএই রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলি খাসিফ আল হামুদি।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। উভয়পক্ষ পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও ফলপ্রসূ পর্যায়ে উন্নীত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে ধর্মীয়বিষয়ক সহযোগিতা জোরদার করা, পারস্পরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও সাংস্কৃতিক বিনিময় ও গভীরতর পারস্পরিক বোঝাপড়া উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
উভয়পক্ষ ধর্মীয় সেবার আধুনিকায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ধর্মভিত্তিক শিক্ষা ও সহায়তা কার্যক্রমকে আরও সময়োপযোগী করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়েও মতবিনিময় করেন।
ধর্মমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত অভিন্ন মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক অগ্রগতির লক্ষ্যে সহযোগিতা আরও গভীর করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং আগামী দিনে বাংলাদেশের ও ইউএই-এর সম্পর্ককে উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত কর
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলি খাসিফ আল হামুদি।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। উভয়পক্ষ পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও ফলপ্রসূ পর্যায়ে উন্নীত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে ধর্মীয়বিষয়ক সহযোগিতা জোরদার করা, পারস্পরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও সাংস্কৃতিক বিনিময় ও গভীরতর পারস্পরিক বোঝাপড়া উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
উভয়পক্ষ ধর্মীয় সেবার আধুনিকায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ধর্মভিত্তিক শিক্ষা ও সহায়তা কার্যক্রমকে আরও সময়োপযোগী করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়েও মতবিনিময় করেন।
ধর্মমন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত অভিন্ন মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক অগ্রগতির লক্ষ্যে সহযোগিতা আরও গভীর করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং আগামী দিনে বাংলাদেশের ও ইউএই-এর সম্পর্ককে উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করার অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্ব্যক্ত করেন।