ধর্ষণে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মাদরাসাছাত্রী, ইমামের বিরুদ্ধে মামলা
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ইমামের বিরুদ্ধে এক মাদরাসাছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ওই কিশোরী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মুক্তাগাছা থানায় মামলা করেছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মো. আব্দুল্লাহ পলাতক। তিনি খেরুয়াজানী ইউনিয়নের ভিটিবাড়ী গ্রামের মো. মিরু মিয়ার ছেলে। মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ ভুক্তভোগী ছাত্রীর ফুপাতো ভাইয়ের সহপাঠী। সে সুবাদে তাদের পাড়ার মসজিদে ইমামতি করার পাশাপাশি ওই ছাত্রীর বাড়িতে লজিং থাকতেন। ছাত্রীর বাবা-মা দুজনেই ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করার কারণে ওই কিশোরী বাড়িতে তার দাদির সঙ্গে থাকতো। গতবছরের ২২ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে আব্দুল্লাহ ওই ছাত্রীর বাড়িতে আসেন এবং তাকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে বললে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তিনি চলে যান। লোকলজ্জা ও ভয়ে ভুক্তভোগী কিশোরী বিষয়টি তখন কাউকে জানায়নি। পরবর্তী সময়ে ভুক্তভোগীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে দাদির সন্দেহ হয়। তিনি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানান, ওই কিশোরী ২৭ সপ্তাহের (প্রায় ৭ মাস) অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনা
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ইমামের বিরুদ্ধে এক মাদরাসাছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ওই কিশোরী সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মুক্তাগাছা থানায় মামলা করেছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত মো. আব্দুল্লাহ পলাতক। তিনি খেরুয়াজানী ইউনিয়নের ভিটিবাড়ী গ্রামের মো. মিরু মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ ভুক্তভোগী ছাত্রীর ফুপাতো ভাইয়ের সহপাঠী। সে সুবাদে তাদের পাড়ার মসজিদে ইমামতি করার পাশাপাশি ওই ছাত্রীর বাড়িতে লজিং থাকতেন। ছাত্রীর বাবা-মা দুজনেই ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করার কারণে ওই কিশোরী বাড়িতে তার দাদির সঙ্গে থাকতো।
গতবছরের ২২ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে আব্দুল্লাহ ওই ছাত্রীর বাড়িতে আসেন এবং তাকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে বললে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তিনি চলে যান। লোকলজ্জা ও ভয়ে ভুক্তভোগী কিশোরী বিষয়টি তখন কাউকে জানায়নি।
পরবর্তী সময়ে ভুক্তভোগীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে দাদির সন্দেহ হয়। তিনি চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানান, ওই কিশোরী ২৭ সপ্তাহের (প্রায় ৭ মাস) অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মুক্তাগাছা থানায় মামলা করেন।
মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত আব্দুল্লাহকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
হোসাইন সুলভ/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?