ধসে পড়া বেইলি সেতুর বিকল্প কাঠের সেতু, ভারী যান চলাচল বন্ধ
ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার কংস নদীতে ধসে পড়া বেইলি সেতুর বিকল্প হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে একটি অস্থায়ী কাঠের সেতু। প্রায় এক মাসের বেশি সময় ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর নতুন এই সেতু চালু হওয়ায় স্থানীয়দের দুর্ভোগ অনেকটাই কমেছে। তবে এখনো সেতুটি দিয়ে ভারী যানবাহন ও বাস চলাচল করতে না পারায় পুরোপুরি স্বস্তি ফিরেনি। নবনির্মিত কাঠের সেতুটি স্থানীয়দের চলাচলের সুবিধার্থে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোশারফ হোসাইন জাগো নিউজকে বলেন, স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ কমাতে জরুরি ভিত্তিতে প্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থের একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে পথচারী, মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে ভারী যানবাহন ও বাস চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, ধসে পড়া বেইলি সেতুটি মেরামতের জন্য ইতোমধ্যে ২৫ লাখ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে আগামী দুই মাসের মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু করার আশা করছি। স্থানীয়রা জানান, সেতু ধসে পড়ার পর কয়েক সপ্তাহ
ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার কংস নদীতে ধসে পড়া বেইলি সেতুর বিকল্প হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে একটি অস্থায়ী কাঠের সেতু। প্রায় এক মাসের বেশি সময় ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর নতুন এই সেতু চালু হওয়ায় স্থানীয়দের দুর্ভোগ অনেকটাই কমেছে। তবে এখনো সেতুটি দিয়ে ভারী যানবাহন ও বাস চলাচল করতে না পারায় পুরোপুরি স্বস্তি ফিরেনি।
নবনির্মিত কাঠের সেতুটি স্থানীয়দের চলাচলের সুবিধার্থে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোশারফ হোসাইন জাগো নিউজকে বলেন, স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ কমাতে জরুরি ভিত্তিতে প্রায় ৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৮ ফুট প্রস্থের একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে পথচারী, মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল করছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে ভারী যানবাহন ও বাস চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ধসে পড়া বেইলি সেতুটি মেরামতের জন্য ইতোমধ্যে ২৫ লাখ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে আগামী দুই মাসের মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু করার আশা করছি।
স্থানীয়রা জানান, সেতু ধসে পড়ার পর কয়েক সপ্তাহ ধরে নৌকাই ছিল নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা। এতে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও রোগীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। নতুন কাঠের সেতু চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ হলেও ভারী যান চলাচল বন্ধ থাকায় পণ্য পরিবহন ও ব্যবসায় এখনো সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বেইলি সেতুর সংস্কার সম্পন্ন করে সব ধরনের যান চলাচল স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, ধোবাউড়া ও জেলা সদরের মধ্যে এই সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় দীর্ঘদিন ভারী যান চলাচল বন্ধ থাকলে স্থানীয় অর্থনীতি ও কৃষিপণ্য পরিবহনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
গত ৭ জুন গোয়াতলা বাজার এলাকায় বালুবোঝাই একটি ট্রাক বেইলি সেতুতে উঠলে সেটি ধসে পড়ে। এতে কেউ হতাহত না হলেও তারাকান্দা-ধোবাউড়া প্রধান সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দুই পাড়ের হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়েন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১০ বছর আগেই বেইলি সেতুটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সেটি ধসে পড়ে।
হোসাইন সুলভ/এনএইচআর/এএসএম
What's Your Reaction?