হরমুজে আন্তর্জাতিক জোট: কৌশলে প্রস্থানের পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র?
চলতি সপ্তাহে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। লন্ডনে আয়োজিত এই সম্মেলনের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের সুরক্ষায় একটি সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক জোট গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, বৈঠকের তারিখ ও কর্মসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এতে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রী, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাও অংশ নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় কূটনীতিকরা। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুইজন ইউরোপীয় কূটনীতিক এবং আরও দুইটি সূত্রের বরাত দিয়ে সাংবাদিক বারাক রাভিদের করা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস। সূত্রগুলোর মতে, গত কয়েক মাসে হরমুজ প্রণালি নিয়ে সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক জোট গঠনের বিষয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা করেছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। যুক্তরাষ্ট্র এখন সেই উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে চায়। কেন আন্তর্জাতিক জোট গঠন? ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থেকে পিছু হটতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে- হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করা। একই সঙ্গে এটি বৈশ্বিক জ্বা
চলতি সপ্তাহে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। লন্ডনে আয়োজিত এই সম্মেলনের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের সুরক্ষায় একটি সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক জোট গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে, বৈঠকের তারিখ ও কর্মসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এতে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রী, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাও অংশ নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় কূটনীতিকরা।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুইজন ইউরোপীয় কূটনীতিক এবং আরও দুইটি সূত্রের বরাত দিয়ে সাংবাদিক বারাক রাভিদের করা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।
সূত্রগুলোর মতে, গত কয়েক মাসে হরমুজ প্রণালি নিয়ে সম্ভাব্য আন্তর্জাতিক জোট গঠনের বিষয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা করেছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। যুক্তরাষ্ট্র এখন সেই উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে চায়।
কেন আন্তর্জাতিক জোট গঠন?
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থেকে পিছু হটতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে- হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করা। একই সঙ্গে এটি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টারও অন্যতম উপাদান।
একজন ইউরোপীয় কূটনীতিক বলেন, আমেরিকানরা এখন যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার একটি পথ খুঁজছে। এ জন্য তারা আমাদের সহায়তা চায়।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য আগামী সপ্তাহেই এ সম্মেলন আয়োজন করতে চায়। তবে, ওয়াশিংটনে অবস্থিত ব্রিটিশ দূতাবাস এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র চায়, তার মিত্ররা অঞ্চলটিতে মাইন অপসারণকারী জাহাজ, যুদ্ধজাহাজ এবং ড্রোনসহ বিভিন্ন সামরিক সক্ষমতা পাঠিয়ে বাণিজ্যিক নৌপথ নিরাপদ রাখতে সহায়তা করুক।
এক্ষেত্রে অনেক দেশই একটি শর্ত দিয়েছে। এই শর্র্তটি হচ্ছে- হরমুজ প্রণালিতে সংঘাত বন্ধ হতে হবে।
দুই সপ্তাহ আগে হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করে ইরান। এরপর থেকে এই জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা শুরু করে আইআরজিসি। এমন প্রেক্ষাপটে প্রতিদিনই ইরানের দক্ষিণ উপকূলে হামলা চালিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।
হরমুজে জাহাজে হামলার বিষয়ে গত বুধবার ইরানকে হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান যদি আবার জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে বোমা হামলা চালাবে। এর জবাবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলার হুমকি দেয়।
কেএম
What's Your Reaction?