ধানমন্ডিতে গৃহকর্ত্রী হত্যায় গৃহকর্মীর মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর ধানমন্ডিতে ছয় বছর আগে দুই নারীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় বাসার কাজের মেয়ে সুরভী আক্তার নাহিদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাওহীদা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত সুরভীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। এছাড়া অভিযোগ না পাওয়ায় অন্য গৃহকর্মী বাচ্চু মিয়াকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি মামলার রায় প্রস্তুত না হওয়ায় আদালত রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছিলেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর রাতে ধানমন্ডির ‘লোবেলিয়া হাউজ’ ভবনের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে আফরোজা বেগম (৬৫) ও তার গৃহকর্মী দিতির (১৮) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুজনকেই গলা কেটে হত্যা করা হয়েছিল। আফরোজা বেগম ছিলেন শিল্পপতি কাজী মনির উদ্দিন তারিমের শাশুড়ি। ঘটনার দুদিন পর তার মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পিবিআই কর্মকর্তা মজিবুর রহমান দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আসামিরা হলেন বাসার কর্মী বাচ্চু মিয়া

ধানমন্ডিতে গৃহকর্ত্রী হত্যায় গৃহকর্মীর মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর ধানমন্ডিতে ছয় বছর আগে দুই নারীকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় বাসার কাজের মেয়ে সুরভী আক্তার নাহিদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাওহীদা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত সুরভীকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। এছাড়া অভিযোগ না পাওয়ায় অন্য গৃহকর্মী বাচ্চু মিয়াকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি মামলার রায় প্রস্তুত না হওয়ায় আদালত রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১ নভেম্বর রাতে ধানমন্ডির ‘লোবেলিয়া হাউজ’ ভবনের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে আফরোজা বেগম (৬৫) ও তার গৃহকর্মী দিতির (১৮) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুজনকেই গলা কেটে হত্যা করা হয়েছিল। আফরোজা বেগম ছিলেন শিল্পপতি কাজী মনির উদ্দিন তারিমের শাশুড়ি। ঘটনার দুদিন পর তার মেয়ে দিলরুবা সুলতানা রুবা মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পিবিআই কর্মকর্তা মজিবুর রহমান দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আসামিরা হলেন বাসার কর্মী বাচ্চু মিয়া ও কাজের মেয়ে সুরভী আক্তার নাহিদ। একই বছরের ১১ অক্টোবর আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। বিচার চলাকালে ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, সুরভী আক্তার নাহিদ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের উদ্দেশ্যে কাজের মেয়ে হিসেবে ওই বাসায় চাকরি নেন এবং পরে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটান। অন্যদিকে বাচ্চু মিয়াকে পরিবারটির বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবে বিবেচনা করে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

এমডিএএ/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow