ধানের তুষ দিয়ে মসলা উৎপাদন, অতঃপর...

বগুড়ায় ধানের তুষ ও নিম্নমানের পচা মরিচ সংরক্ষণের অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে এ জরিমানা করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বগুড়া জেলার ফতেহ আলী বাজারের ছাতা পট্টির গলিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, র‍্যাব-১২ ও পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি বলেন, অভিযানকালে দোলন নামের একটি খুচরা মসলা বিক্রির দোকানে এক বস্তা ধানের তুষ এবং এক বস্তা পচা ও নিম্নমানের মরিচ সংরক্ষিত অবস্থায় পাওয়া যায়। এসব অপরাধের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দোকানের মালিক দোলনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানের সময় ‘মৌরী হলুদ’ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানে নষ্ট ও নিম্নমানের হলুদ ভালো হলুদের সঙ্গে মিশ্রণ করতে দেখা যায়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিক রোকনুজ্জামানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত দুই প্রতিষ্ঠানের কোনো ধরনের

ধানের তুষ দিয়ে মসলা উৎপাদন, অতঃপর...

বগুড়ায় ধানের তুষ ও নিম্নমানের পচা মরিচ সংরক্ষণের অভিযোগে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বগুড়া জেলার ফতেহ আলী বাজারের ছাতা পট্টির গলিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, র‍্যাব-১২ ও পুলিশের যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি বলেন, অভিযানকালে দোলন নামের একটি খুচরা মসলা বিক্রির দোকানে এক বস্তা ধানের তুষ এবং এক বস্তা পচা ও নিম্নমানের মরিচ সংরক্ষিত অবস্থায় পাওয়া যায়। এসব অপরাধের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দোকানের মালিক দোলনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানের সময় ‘মৌরী হলুদ’ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠানে নষ্ট ও নিম্নমানের হলুদ ভালো হলুদের সঙ্গে মিশ্রণ করতে দেখা যায়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিক রোকনুজ্জামানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত দুই প্রতিষ্ঠানের কোনো ধরনের লাইসেন্স ছিল না। 

অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সাধারণ সম্পাদক ফজিলাতুন্নেসা ফৌজিয়া। এ সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারের আইন ও বিধি মেনে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow