ধূমপান ও তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতে ডিএনসিসি বদ্ধপরিকর

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নাগরিকদের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬ এর বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সব অফিস, স্থাপনা ও পরিবহনে তামাক ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। এ উদ্দেশ‍্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বয়ে ধারাবাহিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। সোমবার (২৯ জুন) ডিএনসিসির সভাকক্ষে ঢাকা আহছানিয়া মিশন ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘তামাক ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিকরণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ভূমিকা’ শীর্ষক একটি কর্মশালায় এ প্রত‍্যয় ব‍্যক্ত করা হয়। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী।  কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী শরিফুল ইসলাম। তিনি বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের বর্তমান পরিস্থিতি, পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন ২০২৬ এর উপর আলোকপাত করেন। তামাক নিয়ন্ত্রণে সরক

ধূমপান ও তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতে ডিএনসিসি বদ্ধপরিকর

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নাগরিকদের জন্য নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ২০২৬ এর বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সব অফিস, স্থাপনা ও পরিবহনে তামাক ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। এ উদ্দেশ‍্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বয়ে ধারাবাহিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

সোমবার (২৯ জুন) ডিএনসিসির সভাকক্ষে ঢাকা আহছানিয়া মিশন ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘তামাক ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিকরণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ভূমিকা’ শীর্ষক একটি কর্মশালায় এ প্রত‍্যয় ব‍্যক্ত করা হয়।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী। 

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহছানিয়া মিশনের তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী শরিফুল ইসলাম। তিনি বাংলাদেশে তামাক ব্যবহারের বর্তমান পরিস্থিতি, পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন ২০২৬ এর উপর আলোকপাত করেন। তামাক নিয়ন্ত্রণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন। 

তিনি জানান, গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস) ২০১৭ অনুযায়ী দেশে প্রায় ৩ কোটি ৭৮ লাখ মানুষ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে, যার মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৯২ লাখ মানুষ ধূমপান করে। এছাড়া প্রায় ৪ কোটি মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়। প্রতিবছর তামাকজনিত রোগে প্রায় ২ লাখ মানুষের অকাল মৃত্যু হয় এবং তামাকের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির আর্থিক মূল্য প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, তামাকমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তুলতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তামাক ও ধূমপান নিয়ন্ত্রণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন অংশীজনের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ সময় ঢাকা আহছানিয়া মিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সব অফিস, পরিবহন, স্থাপনায় তামাক ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ, সতর্কতামূলক বার্তা ও তথ্যচিত্র তৈরিতে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে ঢাকা আহছানিয়া মিশন। প্রাথমিকভাবে সিটি করপোরেশন দুই প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি স্বাস্থ্যসম্মত, তামাক ও ধূমপানমুক্ত নগর পরিবেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির উপ-প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমদাদুল হক, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহমুদা আলি, বিসিআইসির সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা আহছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ, তামাক বিরোধী বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরামে সদস্যরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow