ধূমপান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধে কঠোর আইন হচ্ছে যুক্তরাজ্যে

আগামী প্রজন্মকে ধূমপানমুক্ত গড়ে তুলতে নতুন একটি কঠোর আইন কার্যকর করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য, যার আওতায় ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পরে জন্ম নেওয়া নাগরিকদের কাছে তামাকজাত পণ্য বিক্রি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হবে। দেশটির সরকারের এই উদ্যোগের লক্ষ্য ধীরে ধীরে একটি “ধূমপানমুক্ত প্রজন্ম” তৈরি করা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তামাক ও ভ্যাপ সম্পর্কিত এই বিলটি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে অনুমোদন পেয়েছে। আগামী সপ্তাহে রাজকীয় অনুমোদন পেলে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে পরিণত হবে। বিলে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট তারিখের পর জন্ম নেওয়া ব্যক্তিদের কাছে ভবিষ্যতে কোনোভাবেই তামাকজাত পণ্য বিক্রি করা যাবে না। সরকারের লক্ষ্য, এই নিয়ম ধীরে ধীরে তামাক ব্যবহার কমিয়ে একসময় পুরোপুরি নির্মূল করা। ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর প্রথম বিলটি উত্থাপন করা হয়। দীর্ঘ সংসদীয় প্রক্রিয়া শেষে হাউস অব কমন্স ও হাউস অব লর্ডসের অনুমোদনের মাধ্যমে এটি চূড়ান্ত অগ্রগতির দিকে যায়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইংল্যান্ডেই প্রতি বছর প্রায় ৪ লাখ মানুষ ধূমপানজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং প্রায় ৬৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।

ধূমপান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধে কঠোর আইন হচ্ছে যুক্তরাজ্যে

আগামী প্রজন্মকে ধূমপানমুক্ত গড়ে তুলতে নতুন একটি কঠোর আইন কার্যকর করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য, যার আওতায় ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পরে জন্ম নেওয়া নাগরিকদের কাছে তামাকজাত পণ্য বিক্রি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হবে।

দেশটির সরকারের এই উদ্যোগের লক্ষ্য ধীরে ধীরে একটি “ধূমপানমুক্ত প্রজন্ম” তৈরি করা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তামাক ও ভ্যাপ সম্পর্কিত এই বিলটি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে অনুমোদন পেয়েছে। আগামী সপ্তাহে রাজকীয় অনুমোদন পেলে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে পরিণত হবে।

বিলে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট তারিখের পর জন্ম নেওয়া ব্যক্তিদের কাছে ভবিষ্যতে কোনোভাবেই তামাকজাত পণ্য বিক্রি করা যাবে না। সরকারের লক্ষ্য, এই নিয়ম ধীরে ধীরে তামাক ব্যবহার কমিয়ে একসময় পুরোপুরি নির্মূল করা।

২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর প্রথম বিলটি উত্থাপন করা হয়। দীর্ঘ সংসদীয় প্রক্রিয়া শেষে হাউস অব কমন্স ও হাউস অব লর্ডসের অনুমোদনের মাধ্যমে এটি চূড়ান্ত অগ্রগতির দিকে যায়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শুধু ইংল্যান্ডেই প্রতি বছর প্রায় ৪ লাখ মানুষ ধূমপানজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং প্রায় ৬৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। তামাকজনিত রোগের চিকিৎসায় জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার (NHS) বছরে কয়েক বিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় হয়।

যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সচিব ওয়েস স্ট্রিটিং বলেন, এই বিল জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আসক্তি ও তামাকের ক্ষতি থেকে রক্ষা করবে এবং একটি স্বাস্থ্যকর সমাজ গঠনে সহায়তা করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow