নকল দুধ তৈরির দায়ে ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড, লাখ টাকা জরিমানা

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নকল দুধ তৈরির অপরাধে খাইরুল ইসলাম নামে এক দুধ ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দিনগত রাতে উপজেলার হারোপাড়া গ্রামে এই অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান। এসময় সেখান থেকে ২৪ লিটার ক্ষতিকর তেল ও দুটি ব্লেন্ডার মেশিন উদ্ধার করে তা স্থানীয় হাফিজিয়া মাদরাসায় দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. খাইরুল ইসলাম (১৯) ওই গ্রামের আহসাব আলীর ছেলে। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত মো. খাইরুল ইসলাম দুধ ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিকর জেলি ও সয়াবিন তেলসহ নানা উপকরণ ব্যবহার করে ভেজাল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। এসব নকল দুধ তিনি বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করতেন বলে জানা যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় সেখান থেকে ২০ লিটার ক্ষতিকর দুধ ও তেল দুটি ব্লেন্ডার মেশিন উদ্ধার করে তা স্থানীয় হাফিজিয়া মাদ্রাসায় দিয়ে দেওয়া হয়। নির্বাহ

নকল দুধ তৈরির দায়ে ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড, লাখ টাকা জরিমানা

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নকল দুধ তৈরির অপরাধে খাইরুল ইসলাম নামে এক দুধ ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দিনগত রাতে উপজেলার হারোপাড়া গ্রামে এই অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান। এসময় সেখান থেকে ২৪ লিটার ক্ষতিকর তেল ও দুটি ব্লেন্ডার মেশিন উদ্ধার করে তা স্থানীয় হাফিজিয়া মাদরাসায় দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. খাইরুল ইসলাম (১৯) ওই গ্রামের আহসাব আলীর ছেলে।

নকল দুধ তৈরির দায়ে ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড, লাখ টাকা জরিমানা

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত মো. খাইরুল ইসলাম দুধ ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিকর জেলি ও সয়াবিন তেলসহ নানা উপকরণ ব্যবহার করে ভেজাল দুধ তৈরি করে আসছিলেন। এসব নকল দুধ তিনি বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করতেন বলে জানা যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় সেখান থেকে ২০ লিটার ক্ষতিকর দুধ ও তেল দুটি ব্লেন্ডার মেশিন উদ্ধার করে তা স্থানীয় হাফিজিয়া মাদ্রাসায় দিয়ে দেওয়া হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান জানান, ভেজাল দুধ উৎপাদন করে গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে আমরা তৎপর রয়েছি।

আলমগীর হোসাইন নাবিল/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow