নজরুল ইসলাম নামে বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার

নজরুল ইসলাম নামে এক বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কক্সবাজারের রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার একটি খামারবাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে খামারের শ্রমিকদের খাবার পৌঁছে দিতে বাড়ি থেকে বের হন নজরুল ইসলাম। প্রায় এক ঘণ্টা পর খামারের শ্রমিকরা তাকে ভেতরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম বলেন, তার ভাইয়ের হাতে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ কারণে পরিবারের মধ্যে মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমদ প্রিন্স। রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের আবেদন করা হয়েছিল। তবে শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকায় আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জান

নজরুল ইসলাম নামে বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার

নজরুল ইসলাম নামে এক বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কক্সবাজারের রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার একটি খামারবাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে খামারের শ্রমিকদের খাবার পৌঁছে দিতে বাড়ি থেকে বের হন নজরুল ইসলাম। প্রায় এক ঘণ্টা পর খামারের শ্রমিকরা তাকে ভেতরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম বলেন, তার ভাইয়ের হাতে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ কারণে পরিবারের মধ্যে মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল শামসুদ্দিন আহমদ প্রিন্স।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের আবেদন করা হয়েছিল। তবে শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকায় আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow