নতুন গাড়ি কেনার কতদিন পর সার্ভিসিং করাবেন

গাড়ি কেনার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি হলো কতদিন পর সার্ভিসিং করানো উচিত। অনেকেই মনে করেন, নতুন গাড়ি কিনেছেন বলে দীর্ঘ সময় সার্ভিস ছাড়াই চালানো যাবে। কিন্তু বাস্তবে সঠিক সময়ে সার্ভিস না করালে ইঞ্জিনের পারফরম্যান্স কমে যেতে পারে এবং ভবিষ্যতে বড় ধরনের যান্ত্রিক সমস্যার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই শুরু থেকেই নির্ধারিত সময় মেনে গাড়ির যত্ন নেওয়া জরুরি। নতুন গাড়ির ক্ষেত্রে সাধারণত প্রথম সার্ভিস করা হয় ১,০০০ থেকে ১,৫০০ কিলোমিটার চালানোর পর অথবা এক মাসের মধ্যে যেটি আগে আসে। এই সময়টিকে ‘রান-ইন পিরিয়ড’ বলা হয়। এ সময়ে ইঞ্জিনের ভেতরের যন্ত্রাংশ একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে নেয়। প্রথম সার্ভিসে ইঞ্জিন অয়েল পরীক্ষা বা পরিবর্তন, ফিল্টার চেক, ব্রেক ও ক্লাচ অ্যাডজাস্টমেন্ট, নাট-বল্টু টাইট করা এবং ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম পর্যবেক্ষণের মতো কাজ করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে বড় সমস্যা তৈরি না হয়। প্রথম সার্ভিসের পর নিয়মিত সার্ভিসিং সাধারণত প্রতি ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ কিলোমিটার পরপর করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে এই সময়সীমা গাড়ির ব্র্যান্ড ও মডেলভেদে ভিন্ন হতে পারে। এমনকি প্রতিটি মডেলের জন্য আলাদা সার্ভিস সূচি নির্ধারণ করে দেয়। ত

নতুন গাড়ি কেনার কতদিন পর সার্ভিসিং করাবেন

গাড়ি কেনার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর একটি হলো কতদিন পর সার্ভিসিং করানো উচিত। অনেকেই মনে করেন, নতুন গাড়ি কিনেছেন বলে দীর্ঘ সময় সার্ভিস ছাড়াই চালানো যাবে। কিন্তু বাস্তবে সঠিক সময়ে সার্ভিস না করালে ইঞ্জিনের পারফরম্যান্স কমে যেতে পারে এবং ভবিষ্যতে বড় ধরনের যান্ত্রিক সমস্যার ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই শুরু থেকেই নির্ধারিত সময় মেনে গাড়ির যত্ন নেওয়া জরুরি।

নতুন গাড়ির ক্ষেত্রে সাধারণত প্রথম সার্ভিস করা হয় ১,০০০ থেকে ১,৫০০ কিলোমিটার চালানোর পর অথবা এক মাসের মধ্যে যেটি আগে আসে। এই সময়টিকে ‘রান-ইন পিরিয়ড’ বলা হয়। এ সময়ে ইঞ্জিনের ভেতরের যন্ত্রাংশ একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে নেয়।

প্রথম সার্ভিসে ইঞ্জিন অয়েল পরীক্ষা বা পরিবর্তন, ফিল্টার চেক, ব্রেক ও ক্লাচ অ্যাডজাস্টমেন্ট, নাট-বল্টু টাইট করা এবং ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম পর্যবেক্ষণের মতো কাজ করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে বড় সমস্যা তৈরি না হয়।

প্রথম সার্ভিসের পর নিয়মিত সার্ভিসিং সাধারণত প্রতি ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ কিলোমিটার পরপর করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে এই সময়সীমা গাড়ির ব্র্যান্ড ও মডেলভেদে ভিন্ন হতে পারে। এমনকি প্রতিটি মডেলের জন্য আলাদা সার্ভিস সূচি নির্ধারণ করে দেয়। তাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় গাড়ির ইউজার ম্যানুয়াল থেকে।

অনেকেই বছরে খুব বেশি গাড়ি চালান না। কিন্তু কিলোমিটার কম হলেও বছরে অন্তত একবার সার্ভিস করানো উচিত। কারণ সময়ের সঙ্গে ইঞ্জিন অয়েলের মান নষ্ট হয়, ব্রেক ফ্লুইড ও কুল্যান্টের কার্যকারিতা কমে যায় এবং ব্যাটারি দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। অর্থাৎ শুধু দূরত্ব নয়, সময়ও সার্ভিসের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

বাংলাদেশের রাস্তা ও আবহাওয়ার কথাও বিবেচনায় রাখতে হবে। ধুলাবালি, যানজট ও জলাবদ্ধতার কারণে গাড়ির ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। শহরের স্টপ-এন্ড-গো ট্রাফিক ইঞ্জিন ও ব্রেক সিস্টেমকে দ্রুত ক্ষয় করে। তাই অনেক ক্ষেত্রে ৫,০০০ কিলোমিটারের আগেই সার্ভিস করানো নিরাপদ সিদ্ধান্ত হতে পারে।

এছাড়া নির্ধারিত সময়ের আগেই যদি ইঞ্জিন থেকে অস্বাভাবিক শব্দ আসে, ব্রেক চাপলে কাঁপুনি অনুভূত হয়, জ্বালানি খরচ হঠাৎ বেড়ে যায় বা ড্যাশবোর্ডে সতর্কবার্তা জ্বলে ওঠে, তাহলে দেরি না করে সার্ভিস সেন্টারে যাওয়া উচিত। এসব লক্ষণ বড় সমস্যার পূর্বাভাস হতে পারে।

আরও পড়ুন
কতদিন পর পর গাড়ি পরিষ্কার করানো ভালো
টেসলা সাইবারট্রাক কেন আবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow