নতুন ব্রীজ নির্মাণে ভেঙ্গেছে পুরাতন ব্রীজ, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ইউনিয়নের মানুষ

বান্দরবানের লামা উপজেলার ‘কুমারী হতে ফাঁসিয়াখালী হয়ে ডুলহাজারা সড়ক’। সড়কটি দিয়ে ইউনিয়নের অর্ধলক্ষ মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে। এছাড়া পাশর্^বর্তী চকরিয়া উপজেলার ডুলহাজারার সাথে লামাকে সংযুক্ত করেছে সড়কটি। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি ব্রিকসলিং হতে কার্পেটিংয়ে উন্নত করতে সরকারের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ইতিমধ্যে ৩টি প্যাকেজে প্রায় ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েটি ব্রীজও নির্মাণ করা হচ্ছে। সড়কের বড়ছনখোলা নামক স্থানে ফাঁসিয়াখালী খালের উপর নির্মিত ব্রীজটি গত ৭ বছর আগে পাহাড়ি ঢল ও ব্রীজের নিচ থেকে বালু তোলা কারণে ধসে পড়ে। ধসে পড়লেও তার উপর দিয়ে কোনমতে মানুষ ও যানবাহন যাতায়াত করত। অনেক দেনদরবার এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের লেখালেখির পরে অবশেষে গত অর্থবছরে ব্রীজটি নির্মাণে উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর লামা উপজেলা। নতুন ব্রীজ নির্মাণে ছয়মাস আগে পুরাতন ব্রীজটি ভেঙ্গে ফেলা হলেও করা হয়নি কোন বিকল্প সড়ক। চলমান বর্ষায় খালের উপর কোন ব্রীজ না থাকায় এবং পাহাড়ি ঢলে খালে পানি বৃদ্ধি হওয়ায় এই রাস্তা দিয়ে মানুষের চলাচল একপ্রকার বন্ধ হয়ে গেছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে ইউনিয়ন

নতুন ব্রীজ নির্মাণে ভেঙ্গেছে পুরাতন ব্রীজ, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ইউনিয়নের মানুষ

বান্দরবানের লামা উপজেলার ‘কুমারী হতে ফাঁসিয়াখালী হয়ে ডুলহাজারা সড়ক’। সড়কটি দিয়ে ইউনিয়নের অর্ধলক্ষ মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে। এছাড়া পাশর্^বর্তী চকরিয়া উপজেলার ডুলহাজারার সাথে লামাকে সংযুক্ত করেছে সড়কটি। জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি ব্রিকসলিং হতে কার্পেটিংয়ে উন্নত করতে সরকারের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ইতিমধ্যে ৩টি প্যাকেজে প্রায় ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এছাড়া বেশ কয়েটি ব্রীজও নির্মাণ করা হচ্ছে।

সড়কের বড়ছনখোলা নামক স্থানে ফাঁসিয়াখালী খালের উপর নির্মিত ব্রীজটি গত ৭ বছর আগে পাহাড়ি ঢল ও ব্রীজের নিচ থেকে বালু তোলা কারণে ধসে পড়ে। ধসে পড়লেও তার উপর দিয়ে কোনমতে মানুষ ও যানবাহন যাতায়াত করত। অনেক দেনদরবার এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের লেখালেখির পরে অবশেষে গত অর্থবছরে ব্রীজটি নির্মাণে উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর লামা উপজেলা। নতুন ব্রীজ নির্মাণে ছয়মাস আগে পুরাতন ব্রীজটি ভেঙ্গে ফেলা হলেও করা হয়নি কোন বিকল্প সড়ক। চলমান বর্ষায় খালের উপর কোন ব্রীজ না থাকায় এবং পাহাড়ি ঢলে খালে পানি বৃদ্ধি হওয়ায় এই রাস্তা দিয়ে মানুষের চলাচল একপ্রকার বন্ধ হয়ে গেছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছে ইউনিয়নের প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ। স্থানীয়রা নতুন ব্রীজটি দ্রুত নির্মাণ এবং আপাতত চলাচলে বিকল্প ব্যবস্থা করতে জোর দাবী করেছেন।

এলজিইডি লামা সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধিনে রাঙ্গামাটি হতে মেসার্স এসএনবি-বিকে (জেবি) লাইসেন্সে কাজটি করছে দিপায়ন খীসা নামে ঠিকাদার। তিনি নিজে কাজটি করছেন না। তার পক্ষে বান্দরবানের মিঃ আকাশ সাব ঠিকাদার হিাসবে কাজটি করছেন। ৪০ মিটার দীর্ঘ গাডার ব্রীজটি নির্মাণে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৩ কোটি ৯৮ লাখ ৩৪ হাজার ৪০৯ টাকা।

এদিকে ‘কুমারী হতে ফাঁসিয়াখালী হয়ে ডুলহাজারা সড়কের’ ৩টি প্যাকেজে নতুন করে করা রাস্তার কার্পেটিং কাজের কোথাও সাববেইজ কোথাও মেগাডম পর্যন্ত করা হয়েছে। অতি বৃষ্টিতে রাস্তার মেগাডম ও বালু সরে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তার উন্নয়ন এখন এলাকার মানুষের জন্য অভিশাপ হিসাবে রূপ নিয়েছে। ভোগান্তি হতে প্রতিকার চেয়েছেন সাধারণ মানুষ।

বড়ছনখোলা এলাকার বাসিন্দা আবু বক্কর, ফরিদ উদ্দিন ও জসিম উদ্দিন বলেন, ছয় মাস ধরে আমরা কষ্ট পাচ্ছি। আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। বৃষ্টি হলেই আমরা কোথাও যেতে পারিনা। রোগী ও স্কুল কলেজের বাচ্চারা বিদ্যালয়ে যেতে পারোন। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত মালামাল হাটে নিতে পারছেনা। বিকল্প চলাচলের ব্যবস্থা না করে ব্রীজের কাজ কিভাবে করে ?

এলজিইডি লামার উপ-সহকারী প্রকৌশলী সারোয়ার হোসাইন বলেন, বৃষ্টির কারণে কাজ করা যাচ্ছেনা। কয়েকদিনের মধ্যে ঠিকাদার কাজ শুরু করবে। এলজিইডি লামার উপজেলা প্রকৌশলী আবু হানিফ বলেন, বিকল্প রাস্তা করে দিতে ঠিকাদারকে বলা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow