নদী ভাঙনের তীব্রতা, বিলীন বসতভিটা
কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার শরিফগঞ্জ ইউনিয়নের ফতেহপুর এলাকায় কয়েকটি পরিবারের বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে উপজেলার শরিফগঞ্জ ইউনিয়নের ফতেহপুর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নদী ভাঙনের কারণে ৫টি পরিবারের বসতভিটা নদীতে তলিয়ে গেছে। তলিয়া যাওয়া পরিবারের মানুষ অন্যত্র চলে গেলে ও তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নদীতে ভেসে গেছে। বসত ভিটা হারানো আব্দুল মিয়া, কাহের মিয়া, আবুল মিয়া, হারুন আহমদ ও সুফিয়া বেগম তাদের বাসস্থান হারিয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে জীবন যাপন করছেন। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কুশিয়ারা নদীতে হঠাৎ করে ভাঙনের তীব্রতা দেখা দেয়। গত ২ দিন আগে নদী ভাঙনে ৫টি পরিবারের বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। নদী ভাঙনের কারণে হুমকিতে রয়েছে বাড়িঘর, হাটবাজারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। নদীর ভাঙন ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বিস্তীর্ণ জনপদসহ অনেক ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। ভাঙনের তীব্রতায় নদীপাড়ের মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। নদীর তীরবর্তী বাসি
কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার শরিফগঞ্জ ইউনিয়নের ফতেহপুর এলাকায় কয়েকটি পরিবারের বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে উপজেলার শরিফগঞ্জ ইউনিয়নের ফতেহপুর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নদী ভাঙনের কারণে ৫টি পরিবারের বসতভিটা নদীতে তলিয়ে গেছে। তলিয়া যাওয়া পরিবারের মানুষ অন্যত্র চলে গেলে ও তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নদীতে ভেসে গেছে। বসত ভিটা হারানো আব্দুল মিয়া, কাহের মিয়া, আবুল মিয়া, হারুন আহমদ ও সুফিয়া বেগম তাদের বাসস্থান হারিয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে জীবন যাপন করছেন।
এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কুশিয়ারা নদীতে হঠাৎ করে ভাঙনের তীব্রতা দেখা দেয়। গত ২ দিন আগে নদী ভাঙনে ৫টি পরিবারের বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। নদী ভাঙনের কারণে হুমকিতে রয়েছে বাড়িঘর, হাটবাজারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। নদীর ভাঙন ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বিস্তীর্ণ জনপদসহ অনেক ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। ভাঙনের তীব্রতায় নদীপাড়ের মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
নদীর তীরবর্তী বাসিন্দা মো. সুমন হতাশা প্রকাশ করে বলেন, যেভাবে নদী ভাঙছে তাতে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আমাদের ঘর বাড়ি বিলীন হয়ে যাবে। দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
আব্দুল মিয়া বলেন, আমার চোখের সামনে আমার বসতভিটা, ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। চেয়ে দেখা ছাড়া আমাদের কিছুই করার ছিল না। সব কিছু নদীতে ভেসে গেছে। গত দুই দিন থেকে এখন আমি অন্য একজনের ঘরে কোনো রকমভাবে পরিবারের সবাইকে নিয়ে আছি।
শরিফগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা সমাজসেবক, আলহাজ নুরুল আম্বিয়া বলেন, গত ২ দিন আগে থেকে শরিফগঞ্জ ইউনিয়নের ফতেহপুর এলাকায় নদী ভাঙনের তীব্রতা দেখা দিয়েছে। ভাঙনে ইতোমধ্যে ৫টি পরিবারের বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এলাকার বাড়িঘর, হাটবাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অনেক স্থাপনা ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে।
গোলাপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিক ও ঢেউটিন দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে। পরবর্তীতে আরও সহযোগিতা করা হবে। নদী ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে যোগাযোগ করা হয়েছে।
নদী ভাঙনের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট -৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন ও ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতরকে অবগত করেছেন।
What's Your Reaction?