নদীতে মিলল মাথাবিহীন মরদেহ, রহস্য উন্মোচন
মানিকগঞ্জের কালীগঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মাথাবিহীন মরদেহের পরিচয় শনাক্তের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন তিন আসামি। শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে মানিকগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার জয়ীতা শিল্পী। নিহত ব্যক্তির নাম রফিক মিয়া (২৮)। তিনি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার রাথুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন অটোচালক ছিলেন। গত ২৪ মার্চ অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেননি তিনি। পরদিন নদী থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ সুপার জয়ীতা শিল্পী বলেন, গত ২৫ মার্চ বিকেলে মানিকগঞ্জের সদর উপজেলার পাছবাড়ইল গ্রাম দিয়ে বয়ে যাওয়া কালীগঙ্গা নদী থেকে এক যুবকের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে, ছায়া তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তির সহায়তার প্রথমে ঢাকার ধামরাই থেকে রিপন নামের এক জনকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরও বলেন, জিজ
মানিকগঞ্জের কালীগঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া মাথাবিহীন মরদেহের পরিচয় শনাক্তের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন তিন আসামি।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে মানিকগঞ্জ পিবিআই কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার জয়ীতা শিল্পী।
নিহত ব্যক্তির নাম রফিক মিয়া (২৮)। তিনি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার রাথুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন অটোচালক ছিলেন। গত ২৪ মার্চ অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেননি তিনি। পরদিন নদী থেকে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ সুপার জয়ীতা শিল্পী বলেন, গত ২৫ মার্চ বিকেলে মানিকগঞ্জের সদর উপজেলার পাছবাড়ইল গ্রাম দিয়ে বয়ে যাওয়া কালীগঙ্গা নদী থেকে এক যুবকের মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্ত করে, ছায়া তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তির সহায়তার প্রথমে ঢাকার ধামরাই থেকে রিপন নামের এক জনকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানান, নিহত ব্যক্তি আর গ্রেপ্তার আসামিরা বন্ধু ছিল। তারা নেশার টাকা জোগাড় করার জন্য নিহত রফিকের অটোরিকশাটি ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী রফিককে কালীগঙ্গা নদীর তীরে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পিবিআই পুলিশ আসামিদের কাছ থেকে ছিনতাই করা অটোরিকশাসহ হত্যায় ব্যবহৃত দা ও হাতুড়ি উদ্ধার করেছে।
জয়ীতা শিল্পী বলেন, এ ঘটনায় নিহতের ভাই আরিফ মিয়া বাদী হয়ে ঘিওর থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখে হচ্ছে।
What's Your Reaction?