নদীর ঘাটে পড়ে ছিল বোমা সদৃশ বস্তু ও চিরকুট
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় বোমা সদৃশ একটি বস্তু ও রহস্যজনক চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার (৩ মে) সকালে উপজেলার চর গোয়াল গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদীর ঘাট থেকে এসব উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে নদীর ঘাট এলাকায় একটি পলিথিনে মোড়ানো কাগজ পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হয় এলাকাবাসীর। কৌতূহলবশত কাছে গিয়ে তারা ভেতরে লাল রঙের একটি বস্তু দেখতে পান। সেটি বোমা সদৃশ মনে হওয়ায় দ্রুত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি গাংনী থানা পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পলিথিনের ভেতর থেকে লাল স্কচটেপে মোড়ানো বোমা সদৃশ বস্তু এবং একটি চিরকুট উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
চিরকুটটি পলিথিনের ভেতরে থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে এর ভেতরের লেখা সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। সেখান থেকে একটি বোমা সদৃশ বস্তু ও একটি চিরকুট উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বস্তুটি প্রকৃতপক্ষে বিস্ফোরক কি না তা নিশ্চিত হতে স
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় বোমা সদৃশ একটি বস্তু ও রহস্যজনক চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার (৩ মে) সকালে উপজেলার চর গোয়াল গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদীর ঘাট থেকে এসব উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে নদীর ঘাট এলাকায় একটি পলিথিনে মোড়ানো কাগজ পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হয় এলাকাবাসীর। কৌতূহলবশত কাছে গিয়ে তারা ভেতরে লাল রঙের একটি বস্তু দেখতে পান। সেটি বোমা সদৃশ মনে হওয়ায় দ্রুত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিষয়টি গাংনী থানা পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পলিথিনের ভেতর থেকে লাল স্কচটেপে মোড়ানো বোমা সদৃশ বস্তু এবং একটি চিরকুট উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
চিরকুটটি পলিথিনের ভেতরে থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে এর ভেতরের লেখা সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি।
গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) আল মামুন বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। সেখান থেকে একটি বোমা সদৃশ বস্তু ও একটি চিরকুট উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বস্তুটি প্রকৃতপক্ষে বিস্ফোরক কি না তা নিশ্চিত হতে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। পাশাপাশি চিরকুটে কী লেখা রয়েছে এবং এর পেছনে কোনো নাশকতার উদ্দেশ্য আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।