নববধূকে রেখে লেবাননে গেলেন যুবক, এক মাস পর মিলল ঝুলন্ত লাশ
লেবাননে এক বাংলাদেশি প্রবাসী যুবকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুরের দিকে তার কর্মস্থলের বাসায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত ওই যুবকের নাম রহমত উল্লাহ (২০)। তিনি শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মনু মাঝির কান্দির বাসিন্দা কসাই মুসা মোল্লার ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাত্র দুই মাস আগে তিনি পছন্দ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। জীবিকার তাগিদে প্রায় এক মাস আগে তিনি লেবাননে পাড়ি জমান এবং সেখানে ‘অটো খালেদ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তার সহকর্মীরা জানান, ঘটনার দিন দুপুরে অন্যান্য সহকর্মীরা বাইরে কাজে গেলেও তিনি বাসায় একা অবস্থান করছিলেন। এ সময় রান্নাঘরের ভেতরে পাইপের সঙ্গে দড়ি প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে সহকর্মীরা ফিরে এসে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্রুত স্থানীয় পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। বর্তমানে মরদেহটি স্থানীয় একটি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে সহকর্মীদের ধারণা, পারিবারিক অশান্তির কারণেই তিনি এমন চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন। তবে ঘটন
লেবাননে এক বাংলাদেশি প্রবাসী যুবকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুরের দিকে তার কর্মস্থলের বাসায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই যুবকের নাম রহমত উল্লাহ (২০)। তিনি শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মনু মাঝির কান্দির বাসিন্দা কসাই মুসা মোল্লার ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাত্র দুই মাস আগে তিনি পছন্দ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। জীবিকার তাগিদে প্রায় এক মাস আগে তিনি লেবাননে পাড়ি জমান এবং সেখানে ‘অটো খালেদ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।
তার সহকর্মীরা জানান, ঘটনার দিন দুপুরে অন্যান্য সহকর্মীরা বাইরে কাজে গেলেও তিনি বাসায় একা অবস্থান করছিলেন। এ সময় রান্নাঘরের ভেতরে পাইপের সঙ্গে দড়ি প্যাঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পরে সহকর্মীরা ফিরে এসে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্রুত স্থানীয় পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। বর্তমানে মরদেহটি স্থানীয় একটি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে সহকর্মীদের ধারণা, পারিবারিক অশান্তির কারণেই তিনি এমন চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে, এই মর্মান্তিক সংবাদে নিহতের গ্রামের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যদের আহাজারিতে এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে হৃদয়বিদারক পরিবেশ।
What's Your Reaction?