নাগরপুরে হত্যা চেষ্টা মামলায় স্কুল শিক্ষক কারাগারে
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে হত্যা চেষ্টা মামলায় মো. জহিরুল ইসলাম (৪৫)নামের এক স্কুল শিক্ষকের জামিন নামন্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুজ্জামান এ আদেশ দেন। সে (শিক্ষক)উপজেলার ভাড়রা ইউনিয়নের শাখাইল গ্রামের মৃত সোরহাব হোসেন তালুকদারের ছেলে ও শাখাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরনে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার)বিকালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে এডভোকেট মতিয়ার তালুকদারসহ তার স্বজনদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা করে। এ ঘটনায় ৬ জন গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনায় নাগরপুর থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকে শিক্ষক জহিরুল ইসলাম আত্মগোপনে ছিল। অবশেষে গতকাল বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের জন্য প্রার্থনা করেন। শুনানী শেষে বিজ্ঞ আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি এডভোকেট মোসারুল ইসলাম মুছা ভূঁইয়া বলেন, জহিরুল ইসলাম আদালত কে অমান্য করে দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। বুধবার সকালে আদালতে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাঁকে
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে হত্যা চেষ্টা মামলায় মো. জহিরুল ইসলাম (৪৫)নামের এক স্কুল শিক্ষকের জামিন নামন্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কামরুজ্জামান এ আদেশ দেন। সে (শিক্ষক)উপজেলার ভাড়রা ইউনিয়নের শাখাইল গ্রামের মৃত সোরহাব হোসেন তালুকদারের ছেলে ও শাখাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরনে জানা যায়, গত ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার)বিকালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে এডভোকেট মতিয়ার তালুকদারসহ তার স্বজনদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা করে। এ ঘটনায় ৬ জন গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনায় নাগরপুর থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকে শিক্ষক জহিরুল ইসলাম আত্মগোপনে ছিল। অবশেষে গতকাল বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের জন্য প্রার্থনা করেন। শুনানী শেষে বিজ্ঞ আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি এডভোকেট মোসারুল ইসলাম মুছা ভূঁইয়া বলেন, জহিরুল ইসলাম আদালত কে অমান্য করে দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। বুধবার সকালে আদালতে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাঁকে জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।
What's Your Reaction?