নাটোরে ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল কীটনাশকবাহী পিকআপ, নষ্ট ৭ লাখ টাকার কীটনাশক

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় অরক্ষিত রেলগেটে রাজশাহীগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় কীটনাশকবাহী একটি পিকআপ ভ্যান দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এতে পিকআপে থাকা প্রায় সাত লাখ টাকার কীটনাশক নষ্ট হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পাকা ইউনিয়নের মাড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কীটনাশকবোঝাই পিকআপটি রাজশাহী থেকে লালপুর উপজেলার চকনাজিরপুর বাজারের দিকে যাচ্ছিল। দুপুর ১টার দিকে মাড়িয়া রেলগেট পার হওয়ার সময় রেললাইনের ওপর পিকআপটির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় খুলনা থেকে ছেড়ে আসা কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি কাছাকাছি চলে আসে। চালক বেলায়েত হোসেন সৃজান কয়েকবার চেষ্টা করেও পিকআপটি চালু করতে না পেরে প্রাণ বাঁচাতে লাফ দিয়ে নেমে যান। পরে ট্রেনটি পিকআপটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে সেটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে পিকআপে থাকা কীটনাশক রেললাইনের দুই পাশে ছড়িয়ে পড়ে। পিকআপচালক বেলায়েত হোসেন সৃজান বলেন, রেলগেটটি অরক্ষিত ছিল এবং সেখানে কোনো গেটম্যান ছিলেন না। সড়কটি বাঁকা হওয়ায় রেললাইনেও ট্রেন দেখা যাচ্ছিল না। রেললাইনে ওঠার পরই পিকআপটি বন্ধ হয়ে যায়। ট্রেনে

নাটোরে ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল কীটনাশকবাহী পিকআপ, নষ্ট ৭ লাখ টাকার কীটনাশক

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় অরক্ষিত রেলগেটে রাজশাহীগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় কীটনাশকবাহী একটি পিকআপ ভ্যান দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। এতে পিকআপে থাকা প্রায় সাত লাখ টাকার কীটনাশক নষ্ট হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

রবিবার (৯ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পাকা ইউনিয়নের মাড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কীটনাশকবোঝাই পিকআপটি রাজশাহী থেকে লালপুর উপজেলার চকনাজিরপুর বাজারের দিকে যাচ্ছিল। দুপুর ১টার দিকে মাড়িয়া রেলগেট পার হওয়ার সময় রেললাইনের ওপর পিকআপটির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় খুলনা থেকে ছেড়ে আসা কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি কাছাকাছি চলে আসে। চালক বেলায়েত হোসেন সৃজান কয়েকবার চেষ্টা করেও পিকআপটি চালু করতে না পেরে প্রাণ বাঁচাতে লাফ দিয়ে নেমে যান। পরে ট্রেনটি পিকআপটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে সেটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে পিকআপে থাকা কীটনাশক রেললাইনের দুই পাশে ছড়িয়ে পড়ে।

পিকআপচালক বেলায়েত হোসেন সৃজান বলেন, রেলগেটটি অরক্ষিত ছিল এবং সেখানে কোনো গেটম্যান ছিলেন না। সড়কটি বাঁকা হওয়ায় রেললাইনেও ট্রেন দেখা যাচ্ছিল না। রেললাইনে ওঠার পরই পিকআপটি বন্ধ হয়ে যায়। ট্রেনের হর্ন শুনে কয়েকবার স্টার্ট দেওয়ার চেষ্টা করেও সফল না হওয়ায় তিনি লাফ দিয়ে নেমে যান।

ঘটনাস্থলে দায়িত্বে থাকা রেলওয়ের মিস্ত্রি (মেট) মোস্তাক হোসেন বলেন, কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনটি মাড়িয়া রেলগেট অতিক্রম করার সময় পিকআপটিকে ধাক্কা দেয়। ট্রেনটি পিকআপটিকে সেকশন পিলার ২২৬/৭ থেকে ২২৭/০ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। এতে পিকআপটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং মালামাল রেললাইনের দুই পাশে ছড়িয়ে পড়ে।

ঈশ্বরদী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পিকআপটি দুমড়ে-মুচড়ে গেছে এবং এতে থাকা প্রায় সাত লাখ টাকার কীটনাশক নষ্ট হয়েছে। কিছু কীটনাশক রেললাইনের দুই পাশে ছড়িয়ে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, ওই স্থানে গেটম্যান দেওয়ার দাবি উঠেছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে জানানো হবে। দুর্ঘটনার প্রায় পাঁচ মিনিট পর রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow