নাটোরে ভুল চিকিৎসায় নবজাতক মৃত্যুর অভিযোগ

নাটোরে ভুল চিকিৎসায় নবজাতক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শিশুর স্বজনরা এ অভিযোগ করেন। তারা জানান, নরমাল ডেলিভারি হওয়ার পরে নবজাতককে অক্সিজেন না দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত শিশু নাটোর সদর উপজেলার আগদিঘা গ্রামের আবু হোসেন ও রুমি দম্পতির সন্তান। প্রসূতি রুমি জানান, শনিবার (১১ জুলাই) পেটে ব্যথা নিয়ে মেটারনিটি হাসপাতালে আসলে তারা আল্ট্রাসনোগ্রাফি এবং অন্যান্য পরীক্ষা করে জানায়, রোগীর সিজারিয়ান অপারেশন দরকার। তবে কয়েকদিন পরে করলেও চলবে। এরপর তারা কিছু ব্যবস্থাপত্র দেন। কিন্তু বাড়ি গিয়ে পেটের ব্যথা বাড়লে রবিবার সকালে বৃষ্টির মধ্যেই তারা মেটারনিটি হাসপাতালে আসেন। সেখানে নরমালি বাচ্চা প্রসব হয়। এরপর নার্সরা এবং রোগীর স্বজনরা চেষ্টা করেও কোনো চিকিৎসককে হাসপাতালে পাননি। আবু হোসেনের বোন ময়না বেগম জানান, চিকিৎসক না পাওয়ায় মেটারনিটি হাসপাতাল কর্তপক্ষ শিশুটিকে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। এসময় নবজাতককে অক্সিজেন দেওয়ার কথা বললেও তারা অক্সিজেন দেননি। এ অবস্থায় নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। তারা জানান, অক্সিজেনের অভাবে নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। আবু হোসেন বলেন,

নাটোরে ভুল চিকিৎসায় নবজাতক মৃত্যুর অভিযোগ

নাটোরে ভুল চিকিৎসায় নবজাতক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। শিশুর স্বজনরা এ অভিযোগ করেন। তারা জানান, নরমাল ডেলিভারি হওয়ার পরে নবজাতককে অক্সিজেন না দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত শিশু নাটোর সদর উপজেলার আগদিঘা গ্রামের আবু হোসেন ও রুমি দম্পতির সন্তান।

প্রসূতি রুমি জানান, শনিবার (১১ জুলাই) পেটে ব্যথা নিয়ে মেটারনিটি হাসপাতালে আসলে তারা আল্ট্রাসনোগ্রাফি এবং অন্যান্য পরীক্ষা করে জানায়, রোগীর সিজারিয়ান অপারেশন দরকার। তবে কয়েকদিন পরে করলেও চলবে। এরপর তারা কিছু ব্যবস্থাপত্র দেন। কিন্তু বাড়ি গিয়ে পেটের ব্যথা বাড়লে রবিবার সকালে বৃষ্টির মধ্যেই তারা মেটারনিটি হাসপাতালে আসেন। সেখানে নরমালি বাচ্চা প্রসব হয়। এরপর নার্সরা এবং রোগীর স্বজনরা চেষ্টা করেও কোনো চিকিৎসককে হাসপাতালে পাননি।

আবু হোসেনের বোন ময়না বেগম জানান, চিকিৎসক না পাওয়ায় মেটারনিটি হাসপাতাল কর্তপক্ষ শিশুটিকে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। এসময় নবজাতককে অক্সিজেন দেওয়ার কথা বললেও তারা অক্সিজেন দেননি। এ অবস্থায় নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন। তারা জানান, অক্সিজেনের অভাবে নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।

আবু হোসেন বলেন, ‘আমার জীবিত বাচ্চাটিকে তারা অক্সিজেন না দিয়ে মেরে ফেলেছে, এর বিচার চাই।’

এরপর তারা উত্তেজিত হয়ে মেটারনিটি হাসপাতালে এসে চিৎকার শুরু করেন। পরে পুলিশ দুপুরে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ বিষয়ে মেটারনিটি হাসপাতালের ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ‘তিনি হাসপাতালে ছিলেন। যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। প্রসূতির স্বজনদের অভিযোগ সঠিক নয়।’

নাটোর পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক আনোয়ারুল আজিম বলেন, ‘কোনো ভুল ত্রুটি আছে কিনা তা তদন্ত করে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রেজাউল করিম রেজা/কেজে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow