নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত, দাদা আশঙ্কাজনক

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত এবং দাদা গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (১ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার খামার পবনতাইড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত নাতিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। নিহত ফেরেজা বেগম (৬৫) ওই গ্রামের আব্দুল করিমের স্ত্রী। গুরুতর আহত আব্দুল করিম বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযুক্ত শাকিল (১৯) একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শাকিল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। বুধবার দুপুরে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার বিষয় নিয়ে দাদা-দাদির সঙ্গে শাকিলের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে দাদা ও দাদিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন তিনি। এতে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আব্দুল করিম ও ফেরেজা বেগম। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত, দাদা আশঙ্কাজনক
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে নাতির ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত এবং দাদা গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (১ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার খামার পবনতাইড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত নাতিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। নিহত ফেরেজা বেগম (৬৫) ওই গ্রামের আব্দুল করিমের স্ত্রী। গুরুতর আহত আব্দুল করিম বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযুক্ত শাকিল (১৯) একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শাকিল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। সম্প্রতি পারিবারিক কলহের জেরে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান। বুধবার দুপুরে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার বিষয় নিয়ে দাদা-দাদির সঙ্গে শাকিলের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে দাদা ও দাদিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন তিনি। এতে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আব্দুল করিম ও ফেরেজা বেগম। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যান ফেরেজা বেগম। আহত আব্দুল করিমের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ঘটনার খবর পেয়ে সাঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে স্থানীয়দের হাতে আটক শাকিলকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow