নেত্রকোনার বজ্রপাতে ২ জনের মৃত্যু
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে শামসুল হুদা (৫৫) ও আশরাফুল ইসলাম (৩০) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালের দিকে কেন্দুয়া উপজেলার দিঘলী ও ডাউকি গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে। নিহত শামসুল হুদা উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের দিগলী গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে। এছাড়া অপরজন আশরাফুল ইসলাম ডাউকি গ্রামের বেদেনা আক্তারের ছেলে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দিঘলী গ্রামের শামসুল হুদা বৃহস্পতিবার ভোরে গ্রামের পাশের মোড়াইল বিলে মাছ ধরতে যায়। সকাল ৬টার দিকে বৃষ্টি চলাকালে হঠাৎ বজ্রপাতের শামসুল হুদা ঘটনাস্থলেই মারা যায়। অপরদিকে ডাউকি গ্রামের আশরাফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তার মাও একই রোগে ভুগছেন। বৃহস্পতিবার সকালে সান্দিকোনা গ্রামের শ্মশান সংলগ্ন একটি খালের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনিও বজ্রপাতে মারা গেছেন। কেন্দুয়া থানার ওসি মেহেদী মাকসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে দুজনের লাশ দাফনের
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে শামসুল হুদা (৫৫) ও আশরাফুল ইসলাম (৩০) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালের দিকে কেন্দুয়া উপজেলার দিঘলী ও ডাউকি গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।
নিহত শামসুল হুদা উপজেলার মাসকা ইউনিয়নের দিগলী গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে। এছাড়া অপরজন আশরাফুল ইসলাম ডাউকি গ্রামের বেদেনা আক্তারের ছেলে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দিঘলী গ্রামের শামসুল হুদা বৃহস্পতিবার ভোরে গ্রামের পাশের মোড়াইল বিলে মাছ ধরতে যায়। সকাল ৬টার দিকে বৃষ্টি চলাকালে হঠাৎ বজ্রপাতের শামসুল হুদা ঘটনাস্থলেই মারা যায়। অপরদিকে ডাউকি গ্রামের আশরাফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তার মাও একই রোগে ভুগছেন। বৃহস্পতিবার সকালে সান্দিকোনা গ্রামের শ্মশান সংলগ্ন একটি খালের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনিও বজ্রপাতে মারা গেছেন।
কেন্দুয়া থানার ওসি মেহেদী মাকসুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে দুজনের লাশ দাফনের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক প্রত্যেক পরিবারকে নগদ ২০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।
What's Your Reaction?