নানা জটিলতায় এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলসের উৎপাদন বন্ধ 

ব্যাংক হিসাব জব্দ, ঋণপত্র (এলসি) খোলায় বিধিনিষেধ, কাঁচামাল ও রাসায়নিকের সংকট এবং দক্ষ শ্রমিকের অভাবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেডের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে সমস্যাগুলোর সমাধান হলে দ্রুত উৎপাদন পুনরায় শুরু করার আশা করছে কোম্পানিটি। কোম্পানির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। ডিএসই থেকে জানানো হয়েছে, গত ২ আগস্ট একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে ‘চট্টগ্রামে এস. আলমের সব কারখানা বন্ধ, শ্রমিক ছাঁটাই’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে কোম্পানির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। আরও পড়ুন কর্ণফুলীতে বন্ধ হলো এস আলমের সব কারখানা, ৪ হাজার ছাঁটাই এর জবাবে ৪ আগস্ট পাঠানো চিঠিতে সালাম ক্রেস্ট জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে নিয়মিত উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো ঋণপত্র (এলসি) খোলার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে।

নানা জটিলতায় এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলসের উৎপাদন বন্ধ 

ব্যাংক হিসাব জব্দ, ঋণপত্র (এলসি) খোলায় বিধিনিষেধ, কাঁচামাল ও রাসায়নিকের সংকট এবং দক্ষ শ্রমিকের অভাবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেডের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে সমস্যাগুলোর সমাধান হলে দ্রুত উৎপাদন পুনরায় শুরু করার আশা করছে কোম্পানিটি।

কোম্পানির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

ডিএসই থেকে জানানো হয়েছে, গত ২ আগস্ট একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে ‘চট্টগ্রামে এস. আলমের সব কারখানা বন্ধ, শ্রমিক ছাঁটাই’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে কোম্পানির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

এর জবাবে ৪ আগস্ট পাঠানো চিঠিতে সালাম ক্রেস্ট জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কারণে নিয়মিত উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো ঋণপত্র (এলসি) খোলার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে। এ পরিস্থিতিতে ধীরে ধীরে অধিকাংশ দক্ষ শ্রমিক চাকরি ছেড়ে চলে যান। ফলে রাসায়নিক, কাঁচামাল ও দক্ষ শ্রমিকের তীব্র সংকট তৈরি হয় এবং শেষ পর্যন্ত উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় কোম্পানিটি।

কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, বর্তমানে উদ্ভূত সমস্যাগুলোর সমাধানে তারা কাজ করছে। নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হলে সঙ্গে সঙ্গেই উৎপাদন পুনরায় শুরু হবে এবং সে বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের অবহিত করা হবে।

তবে কোম্পানিটি সতর্ক করে বলেছে, স্বল্প সময়ের মধ্যে উৎপাদন পুনরায় চালু করা সম্ভব না হলে এর উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক প্রভাব কোম্পানির আর্থিক অবস্থার ওপর পড়তে পারে।

এমএএস/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow