নাফ নদীতে জেলের বড়শিতে ধরা পড়লো ৩০ কেজির কোরাল
কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীতে এক জেলের বড়শিতে ধরা পড়েছে প্রায় ৩০ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ। পরে স্থানীয় বাজারে মাছটি প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা দরে কেটে বিক্রি করা হয়। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরের দিকে টেকনাফের নাফ নদীতে মাছটি পাওয়া যায়। টেকনাফ বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আমির হামজা বলেন, নাফ নদীতে এক জেলের বড়শিতে ৩০ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ ধরা পড়ে। পরে মাছটি তার থেকে কিনে প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা দরে টেকনাফ বাজারে বিক্রি করা হয়। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ জেলে নাফ নদীতে মাছ ধরছেন। এ সময় বড়শিতেও বড় আকারের মাছ ধরা পড়ছে। আমরা জেলেদের কাছ থেকে মাছ কিনে বাজারে বিক্রি করি। ৩০ কেজি ওজনের কোরাল মাছটিও কেটে বিক্রি করা হয়। টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উম্মুল ফারাহ বেগম তাজকিরা বলেন, কোরাল দ্রুত বর্ধনশীল মাছ। পরিবেশ ভালো পেলে মাছটি সাধারণত ৩০ থেকে ৩৫ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। কোনো কোনো সময় এর বেশি ওজনের কোরালও পাওয়া যায়। কোরাল খুবই সুস্বাদু। তাই জেলেরা দামও ভালো পেয়ে থাকেন। জাহাঙ্গীর আলম/এনএইচআর/জেআইএম
কক্সবাজারের টেকনাফের নাফ নদীতে এক জেলের বড়শিতে ধরা পড়েছে প্রায় ৩০ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ। পরে স্থানীয় বাজারে মাছটি প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা দরে কেটে বিক্রি করা হয়।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরের দিকে টেকনাফের নাফ নদীতে মাছটি পাওয়া যায়।
টেকনাফ বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আমির হামজা বলেন, নাফ নদীতে এক জেলের বড়শিতে ৩০ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ ধরা পড়ে। পরে মাছটি তার থেকে কিনে প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা দরে টেকনাফ বাজারে বিক্রি করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় বেশিরভাগ জেলে নাফ নদীতে মাছ ধরছেন। এ সময় বড়শিতেও বড় আকারের মাছ ধরা পড়ছে। আমরা জেলেদের কাছ থেকে মাছ কিনে বাজারে বিক্রি করি। ৩০ কেজি ওজনের কোরাল মাছটিও কেটে বিক্রি করা হয়।
টেকনাফ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উম্মুল ফারাহ বেগম তাজকিরা বলেন, কোরাল দ্রুত বর্ধনশীল মাছ। পরিবেশ ভালো পেলে মাছটি সাধারণত ৩০ থেকে ৩৫ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। কোনো কোনো সময় এর বেশি ওজনের কোরালও পাওয়া যায়। কোরাল খুবই সুস্বাদু। তাই জেলেরা দামও ভালো পেয়ে থাকেন।
জাহাঙ্গীর আলম/এনএইচআর/জেআইএম
What's Your Reaction?