পিরোজপুরের ভাণ্ডাারিয়ায় আসমা আক্তার (৪৫) নামে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ শেষে উপজেলার জুনিয়া গ্রামে নিজ বসতঘরে ওই গৃহবধূ হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
পুলিশ খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।
নিহতা গৃহবধূ আসমা আক্তার ওই গ্রামের কৃষক আলমগীর হোসেন হাওলাদারের স্ত্রী। সে তিন ছেলের জননী।
নিহতের চাচাতো ভাই ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, মাগরিবের নামাজ পড়ে জায়নামাজের উপর বসে ছিলেন আসমা। এ সময় তার ছেলের স্ত্রী ওজু করে এসে ঘরে ঢুকে দেখে শাশুড়ির রক্তাক্ত দেহ মেঝেতে পড়ে আছে।
তেলিখালী পুলিশ ফাড়ি তদন্ত কেন্দ্রের ইন্সপেক্টর মো. এনামূল ঘটনাস্থল থেকে জানান, হত্যাকাণ্ডের কোনো রহস্য উদঘাটন করা যায়নি। ঘটনার সময় বসতঘরে ওই গৃহবধূ একাই নামাজ পড়ছিলেন। এ সময় অজ্ঞাত দুবৃত্তর তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের স্বজনরা তার রক্তাক্ত লাশ ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন।
এ বিষয়ে ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাতে বসতঘর থেকে নিহত গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা যায়নি। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।