নামাজে ওজু ছুটে গেলে কী করবেন?
নামাজ ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, আর নামাজের জন্য পূর্বশর্ত হলো পবিত্রতা বা ওজু। তবে মানুষ হিসেবে নামাজরত অবস্থায় যেকোনো সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে ওজু ছুটে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সঠিক করণীয় সম্পর্কে জানা প্রত্যেক মুসল্লির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
কাতার অতিক্রম করা ও শরিয়তের বিধান
সাধারণ অবস্থায় নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাওয়া অত্যন্ত গোনাহের কাজ। কিন্তু নামাজের মধ্যে ওজু ছুটে গেলে পুনরায় ওজু করার জন্য কাতার থেকে বের হতে হয়। শরিয়তের মাসআলা অনুযায়ী, এমতাবস্থায় যদি মুসল্লিকে কাতার বা অন্য মুসল্লিদের সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে হয়, তবে সামনে দিয়ে অতিক্রম করার কারণে তার আমলনামায় কোনো গোনাহ আসবে না।
ভিড়ের কারণে বের হতে না পারলে করণীয়
ফতোয়া তাতারখানিয়াসহ একাধিক কিতাবসমূহের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন জায়গায় থাকেন যেখান থেকে বের হতে গেলে অনেক মুসল্লির সামনে দিয়ে যেতে হবে অথবা নামাজের বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থাকে, তবে তার জন্য একটি বিকল্প উপায় রয়েছে। এক্ষেত্রে তিনি চাইলে নামাজ ছেড়ে দিয়ে নিজ জায়গায় চুপচাপ বসে থাকতে পারেন এবং ইমামের সালাম ফেরানোর পর বের হয়ে ওজু করে একাকী নামাজ পড়ে নিতে পার
নামাজ ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, আর নামাজের জন্য পূর্বশর্ত হলো পবিত্রতা বা ওজু। তবে মানুষ হিসেবে নামাজরত অবস্থায় যেকোনো সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে ওজু ছুটে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সঠিক করণীয় সম্পর্কে জানা প্রত্যেক মুসল্লির জন্য অত্যন্ত জরুরি।
কাতার অতিক্রম করা ও শরিয়তের বিধান
সাধারণ অবস্থায় নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাওয়া অত্যন্ত গোনাহের কাজ। কিন্তু নামাজের মধ্যে ওজু ছুটে গেলে পুনরায় ওজু করার জন্য কাতার থেকে বের হতে হয়। শরিয়তের মাসআলা অনুযায়ী, এমতাবস্থায় যদি মুসল্লিকে কাতার বা অন্য মুসল্লিদের সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে হয়, তবে সামনে দিয়ে অতিক্রম করার কারণে তার আমলনামায় কোনো গোনাহ আসবে না।
ভিড়ের কারণে বের হতে না পারলে করণীয়
ফতোয়া তাতারখানিয়াসহ একাধিক কিতাবসমূহের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন জায়গায় থাকেন যেখান থেকে বের হতে গেলে অনেক মুসল্লির সামনে দিয়ে যেতে হবে অথবা নামাজের বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থাকে, তবে তার জন্য একটি বিকল্প উপায় রয়েছে। এক্ষেত্রে তিনি চাইলে নামাজ ছেড়ে দিয়ে নিজ জায়গায় চুপচাপ বসে থাকতে পারেন এবং ইমামের সালাম ফেরানোর পর বের হয়ে ওজু করে একাকী নামাজ পড়ে নিতে পারেন।
লোকলজ্জা ও অভিনয়ের পরিণাম
আমাদের সমাজে একটি ভুল প্রবণতা বা ‘জাহিল স্বভাব’ লক্ষ্য করা যায়—ওজু ছুটে যাওয়ার পর মানুষ কী মনে করবে, এই লজ্জায় অনেকে ওজু ছাড়াই নামাজের অভিনয় চালিয়ে যান। এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক কাজ। ওজু ছাড়া জেনে-বুঝে নামাজের অভিনয় করা আল্লাহর সাথে তামাশা করার শামিল। মানুষের ভয়ের চেয়ে আল্লাহর ভয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রত্যেক ঈমানদারের দায়িত্ব।
পরিশেষ সুযোগ থাকলে অবিলম্বে নামাজ ছেড়ে ওজু করতে যাওয়া এবং সম্ভব হলে পুনরায় জামাতে শরিক হওয়া উচিত। আর যাতায়াত বেশি অসুবিধাজনক হলে সালাম ফেরানো পর্যন্ত বসে অপেক্ষা করা যেতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই লোকলজ্জার ভয়ে ওজুহীন অবস্থায় নামাজের অভিনয় করা যাবে না।
ইসলামি স্কলার মুফতি রেজাউল করীম আবরারের বয়ান অবলম্বনে