নারায়ণগঞ্জে তেলের জন্য হাহাকার, পাম্পে পাম্পে ঘুরছেন চালকরা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অকটেনের সরবরাহ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহন চালকরা। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল থেকে মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ ও কাঁচপুর এলাকার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে তেল না পেয়ে চালকদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্যস্ততম মহাসড়কের আশপাশের তেলের পাম্পগুলোর মধ্যকার অধিকাংশগুলোতে অকটেন বিক্রি বন্ধ রয়েছে। কোনো পাম্পে ১৪-১৫ দিন ধরেই বিক্রি বন্ধ আছে। তবে তারা সামান্য পরিমাণে ডিজেল বিক্রির মাধ্যমে পাম্প চালু রেখেছেন। এদিকে, চাহিদা অনুযায়ী পরিমাণ মতো তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিভিন্ন পাম্পে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বাহন চালকরা। চালকদের অভিযোগ, পেট্রোল পাম্পগুলো থেকে মোটরসাইকেল, ট্যাক্সিসহ বড় যানবাহনের জন্য তেল বিক্রি হচ্ছে না। এতে তারা চরম বেকায়দায় পড়েছেন। তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রমজান নামের এক মোটরসাইকেল চালক জাগো নিউজকে জানান, আমি কাঁচপুর থেকে সিদ্ধিরগঞ্জে এই জোনাকি পাম্প পর্যন্ত এসেছি, একটা পাম্পেও তেল নেই। বিরক্ত হয়ে যাচ্ছি। এখন মনে হচ্ছে আমাদের মোটরসাইকেল বাড়িতে ফেলে রাখা লাগবে। এক প্রাই

নারায়ণগঞ্জে তেলের জন্য হাহাকার, পাম্পে পাম্পে ঘুরছেন চালকরা

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অকটেনের সরবরাহ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যানবাহন চালকরা।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল থেকে মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জ ও কাঁচপুর এলাকার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে তেল না পেয়ে চালকদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্যস্ততম মহাসড়কের আশপাশের তেলের পাম্পগুলোর মধ্যকার অধিকাংশগুলোতে অকটেন বিক্রি বন্ধ রয়েছে। কোনো পাম্পে ১৪-১৫ দিন ধরেই বিক্রি বন্ধ আছে। তবে তারা সামান্য পরিমাণে ডিজেল বিক্রির মাধ্যমে পাম্প চালু রেখেছেন।

এদিকে, চাহিদা অনুযায়ী পরিমাণ মতো তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিভিন্ন পাম্পে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বাহন চালকরা।

চালকদের অভিযোগ, পেট্রোল পাম্পগুলো থেকে মোটরসাইকেল, ট্যাক্সিসহ বড় যানবাহনের জন্য তেল বিক্রি হচ্ছে না। এতে তারা চরম বেকায়দায় পড়েছেন।

নারায়ণগঞ্জে তেলের জন্য হাহাকার, পাম্পে পাম্পে ঘুরছেন চালকরা

তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রমজান নামের এক মোটরসাইকেল চালক জাগো নিউজকে জানান, আমি কাঁচপুর থেকে সিদ্ধিরগঞ্জে এই জোনাকি পাম্প পর্যন্ত এসেছি, একটা পাম্পেও তেল নেই। বিরক্ত হয়ে যাচ্ছি। এখন মনে হচ্ছে আমাদের মোটরসাইকেল বাড়িতে ফেলে রাখা লাগবে।

এক প্রাইভেটকার চালকেরও একই ভাষ্য, তিনি বলেন, অন্তত ১০টা পাম্প ঘুরে অকটেন পাইনি। সবখানে ডিজেল বিক্রি হচ্ছে। এটার সমাধান করা উচিত। না হয় আমাদের গাড়ি চালানো বন্ধ হয়ে যাবে।

এমএস শ্যামস ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মান্নান জানান, ঈদের পর শুধুমাত্র একদিন দুই ঘণ্টার জন্য অকটেন বিক্রি করতে পেরেছি। ২০ দিন ধরে এই সমস্যা চলমান আছে। কবে নাগাদ ঝামেলা শেষ হবে নিশ্চিত হতে পারিনি।

মৌচাক সংলগ্ন জোনাকি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার বলেন, ১৪-১৫ দিন ধরে আমরা তেল বিক্রি করছি না। আমরা অকটেন না পাওয়ায় শুধু ডিজেল বিক্রি করে যাচ্ছি। কবে অকটেন বিক্রি হবে নিশ্চিত নয়।

মো. আকাশ/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow