নারায়ণগঞ্জে বিস্ফোরণের মৃত্যু বেড়ে ৩

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জেরা মেঘনা ঘাট পাওয়ার প্লান্টের ক্যান্টিনে গ্যাস লিকেজ থেকে হওয়া বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে কাউছার (৩০) নামের আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।  সোমবার (১৮ মে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনজনে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, কাউছারের শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। গত পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর তিনি মারা যান। এর আগে, গত ১৩ মে দুপুরে সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনাঘাট এলাকায় অবস্থিত পাওয়ার প্ল্যান্টের ক্যান্টিনে দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১২ জন দগ্ধ হন।  আহতরা হলেন— নাজমুল শেখ (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), আমির (২৫), শঙ্কর (২৫), কাউছার (৩০), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), আল আমিন (৪০), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২) ও বদরুল হায়দার (৫০)। দগ্ধদের উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। সেখানে ছয়জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও বাকি ছয়জনকে হাসপ

নারায়ণগঞ্জে বিস্ফোরণের মৃত্যু বেড়ে ৩

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জেরা মেঘনা ঘাট পাওয়ার প্লান্টের ক্যান্টিনে গ্যাস লিকেজ থেকে হওয়া বিস্ফোরণে দগ্ধদের মধ্যে কাউছার (৩০) নামের আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। 

সোমবার (১৮ মে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এ নিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিনজনে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক শাওন বিন রহমান। তিনি জানান, কাউছারের শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। গত পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর তিনি মারা যান।

এর আগে, গত ১৩ মে দুপুরে সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনাঘাট এলাকায় অবস্থিত পাওয়ার প্ল্যান্টের ক্যান্টিনে দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১২ জন দগ্ধ হন। 

আহতরা হলেন— নাজমুল শেখ (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), আমির (২৫), শঙ্কর (২৫), কাউছার (৩০), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), আল আমিন (৪০), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২) ও বদরুল হায়দার (৫০)।

দগ্ধদের উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। সেখানে ছয়জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও বাকি ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে শঙ্কর, আমির ও কাউছার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ক্যান্টিনে খাবার খাওয়ার সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে উপস্থিতদের হাত, মুখ ও পা দগ্ধ হয়। পরে সহকর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস নারায়ণগঞ্জ জোন-২ এর উপসহকারী পরিচালক ওসমান গনি জানান, পাওয়ার প্ল্যান্টের ক্যান্টিনের পাশে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার থেকে লিকেজ হয়ে গ্যাস জমে ছিল। পরে কোনোভাবে আগুনের সংস্পর্শে এসে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow