নাহিদ রানার অস্ট্রেলিয়া যাওয়া, না যাওয়ার খবর জানা যাবে আজ রাতেই
জিম্বাবুয়ে সফর শেষ না হতেই চলে আসছে অস্ট্রেলিয়া সফর। এক-দুই বছর নয়, গুনে গুনে ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলবে টাইগাররা। ২০০৩ সালে খালেদ মাহমুদ সুজনের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সর্বশেষ ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার দীর্ঘদিন পর আবার অসিদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা। এমনিতেই জিম্বাবুয়ে সফরে একমাত্র টেস্টে পারফরম্যান্স ভালো হয়নি। ব্যাটার ও বোলারদের অনুজ্জ্বল ও বাজে পারফরম্যান্সের চড়া মাশুল গুনে ইনিংস ও ৮৫ রানে হেরেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। সেই পরাজয়ের দগদগে ঘা গায়ে নিয়েই যেতে হবে অস্ট্রেলিয়া। ভক্ত-সমর্থকরা চিন্তিত, উদ্বিগ্ন। জিম্বাবুয়ের মতো তলানিতে থাকা দলের সঙ্গেই অবস্থা নাজেহাল। আর পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে না জানি কী হবে? এই যখন অবস্থা, সেখানে ‘গোদের ওপর বিষফোঁড়া’ হয়ে দেখা দিয়েছে ইনজুরি সমস্যা। প্রধান স্ট্রাইক বোলার নাহিদ রানা ইনজুরিতে। ‘সাইড স্ট্রেইন মাসলে’ টান পড়েছে সময়ের এ দ্রুততম বোলারের। এখন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অসিদের সঙ্গে ২ ম্যাচের টেস্টে নাহিদ রানার সার্ভিস পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে আছে সংশয়। এদিকে নাহিদ
জিম্বাবুয়ে সফর শেষ না হতেই চলে আসছে অস্ট্রেলিয়া সফর। এক-দুই বছর নয়, গুনে গুনে ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলবে টাইগাররা।
২০০৩ সালে খালেদ মাহমুদ সুজনের নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সর্বশেষ ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার দীর্ঘদিন পর আবার অসিদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে টাইগাররা।
এমনিতেই জিম্বাবুয়ে সফরে একমাত্র টেস্টে পারফরম্যান্স ভালো হয়নি। ব্যাটার ও বোলারদের অনুজ্জ্বল ও বাজে পারফরম্যান্সের চড়া মাশুল গুনে ইনিংস ও ৮৫ রানে হেরেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। সেই পরাজয়ের দগদগে ঘা গায়ে নিয়েই যেতে হবে অস্ট্রেলিয়া। ভক্ত-সমর্থকরা চিন্তিত, উদ্বিগ্ন।
জিম্বাবুয়ের মতো তলানিতে থাকা দলের সঙ্গেই অবস্থা নাজেহাল। আর পরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে না জানি কী হবে?
এই যখন অবস্থা, সেখানে ‘গোদের ওপর বিষফোঁড়া’ হয়ে দেখা দিয়েছে ইনজুরি সমস্যা। প্রধান স্ট্রাইক বোলার নাহিদ রানা ইনজুরিতে। ‘সাইড স্ট্রেইন মাসলে’ টান পড়েছে সময়ের এ দ্রুততম বোলারের। এখন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অসিদের সঙ্গে ২ ম্যাচের টেস্টে নাহিদ রানার সার্ভিস পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে আছে সংশয়।
এদিকে নাহিদ রানার পরিচর্যা চলছে। জানা গেছে, নাহিদ রানার যে ধরনের ইনজুরি, তা ভালো হতে তিন সপ্তাহের মতো লাগে। সে ক্ষেত্রে রানা হয়তো দ্বিতীয় টেস্ট নাগাদ সুস্থ হয়ে উঠতেও পারেন। তারপরও এ তরুণ ফাস্ট বোলারের ইনজুরির ধরন জানতে পরীক্ষা করানো হয়েছে। আজ ২৩ জুলাই রাতে জানা যাবে সেই পরীক্ষার রিপোর্ট। সেই রিপোর্টই নির্ধারণ করবে নাহিদ রানার ভাগ্য। রিপোর্ট দেখেই রানার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে টিম ম্যানেজমেন্ট।
রানার ভাগ্য যাই হোক না কেন, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পেস বোলিংয়ের দুর্বলতা কাটাতে আসছে এক নতুন সিদ্ধান্ত। তা হলো, শ্রীলঙ্কায় এলপিএল খেলতে যাওয়া ফাস্ট বোলার হাসান মাহমুদকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। বিসিবির সর্বোচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বশীল একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।
বলে রাখা ভালো, শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত এলপিএলে কলম্বো ক্যাপসের হয়ে খেলছেন তরুণ ফাস্ট বোলার হাসান মাহমুদ। এ টুর্নামেন্ট চলবে আগামী ৮ আগস্ট পর্যন্ত। এ আসরের পুরো সময়ের জন্য হাসান মাহমুদকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। তার আগে ৩ আগস্ট শেষ হবে রাউন্ড-রবিন লিগের খেলা। ৪ আগস্ট থেকে ৮ আগস্ট চলবে নকআউট পর্ব।
একদম ভেতরের খবর, তার আগেই বিসিবির বিশেষ নির্দেশে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে হাসান মাহমুদকে এবং আগামী ৩১ জুলাই জাতীয় দলের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে যাবেন হাসান মাহমুদ।
এদিকে অস্ট্রেলিয়ার শক্ত, হার্ড ও দ্রুতগতির বাউন্সি পিচে ২ টেস্টের জন্য অন্তত ৫ জন দ্রুতগতির বোলার দরকার টিম বাংলাদেশের। সেখানে দল সাজাতে নির্বাচকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। কারণ প্রায় একই সময়ে বাংলাদেশ ‘এ’ দল, ইমার্জিং দল ও এইচপি দলও দক্ষিণ আফ্রিকা আর অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবে। সেই তিন দলেও অন্তত ৪ জন করে পেসার দরকার।
এখন নাহিদ রানা ইনজুরির কারণে যেতে না পারলে টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ জন পেসার পাওয়াই কঠিন। তবুও রক্ষা, শরিফুল মোটামুটি ফিট হয়ে উঠেছেন। জিম্বাবুয়ে সফরে শরিফুলও আহত হয়েছিলেন। তবে সর্বশেষ খবর, এ বাঁ-হাতি পেসার মোটামুটি সুস্থ এবং তাকে রেখেই দল সাজানো হচ্ছে। পাশাপাশি তাসকিন আহমেদও পুরোপুরি ফিট। কাজেই নাহিদ রানা খেলতে পারলে আর সমস্যা নেই। তাসকিন, রানা, শরিফুল ও হাসান মাহমুদ- এই চার দ্রুতগতির বোলারই খেলতে পারবেন অসিদের বিপক্ষে।
একই সময়ে নির্বাচকরা এবাদতের কথাও ভেবে রেখেছিলেন। তবে সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকার জন্য এবাদতও ছুটি চেয়ে রেখেছেন। তাই তাকে অস্ট্রেলিয়া সফরে পাওয়া যাবে না। জিম্বাবুয়ের সঙ্গে টেস্ট সিরিজের পর ইতালিতে স্ত্রীর কাছে চলে গেছেন এবাদত। তার অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এআরবি/আইএইচএস
What's Your Reaction?