‘নিউমার্কেটের সামনে জলাবদ্ধতা যেন আমাদের নিয়তি’

রোববারের ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার রেশ কাটেনি রাজধানীর নিউমার্কেটে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে দোকানপাট খুললেও মার্কেটের সামনের সড়কে এখনও পানি জমে থাকায় ক্রেতাশূন্য ছিল অধিকাংশ দোকান। এতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। রোববার ভোরের বৃষ্টিতে নিউমার্কেটের ভেতরে পানি ঢুকে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। দোকানের বারান্দা পর্যন্ত পানি উঠে যাওয়ায় সকালে দোকান খুললেও এক পর্যায়ে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন। এদিন কার্যত বেচাকেনা বন্ধ ছিল। রোববার দিবাগত রাতে পানি নেমে যাওয়ার পর সোমবার সকাল থেকে ব্যবসায়ীরা একে একে দোকান খুলে বসেন। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় সরেজমিনে দেখা যায় নিউমার্কেটের ১ নম্বর গেটের প্রধান ফটকটি বন্ধ রয়েছে। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীরা দায়িত্ব পালন করছেন। তবে পাশের ছোট (পকেট) গেট খোলা থাকায় বিভিন্ন দোকানের কর্মচারীরা সেটি দিয়ে মার্কেটে প্রবেশ করে নিজ নিজ দোকান খুলছেন। রোববারের জলাবদ্ধতায় দোকানের বারান্দা পর্যন্ত পানি উঠে যাওয়ায় সেখানে ব্যবসা করা অনেক দোকানির মালামাল ভিজে যায়। বাধ্য হয়ে তারা সেগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। সোমবার সকাল থেক

‘নিউমার্কেটের সামনে জলাবদ্ধতা যেন আমাদের নিয়তি’

রোববারের ভারী বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার রেশ কাটেনি রাজধানীর নিউমার্কেটে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে দোকানপাট খুললেও মার্কেটের সামনের সড়কে এখনও পানি জমে থাকায় ক্রেতাশূন্য ছিল অধিকাংশ দোকান। এতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো লোকসানের শঙ্কায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

রোববার ভোরের বৃষ্টিতে নিউমার্কেটের ভেতরে পানি ঢুকে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। দোকানের বারান্দা পর্যন্ত পানি উঠে যাওয়ায় সকালে দোকান খুললেও এক পর্যায়ে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন। এদিন কার্যত বেচাকেনা বন্ধ ছিল। রোববার দিবাগত রাতে পানি নেমে যাওয়ার পর সোমবার সকাল থেকে ব্যবসায়ীরা একে একে দোকান খুলে বসেন।

jagonews24

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় সরেজমিনে দেখা যায় নিউমার্কেটের ১ নম্বর গেটের প্রধান ফটকটি বন্ধ রয়েছে। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীরা দায়িত্ব পালন করছেন। তবে পাশের ছোট (পকেট) গেট খোলা থাকায় বিভিন্ন দোকানের কর্মচারীরা সেটি দিয়ে মার্কেটে প্রবেশ করে নিজ নিজ দোকান খুলছেন।

রোববারের জলাবদ্ধতায় দোকানের বারান্দা পর্যন্ত পানি উঠে যাওয়ায় সেখানে ব্যবসা করা অনেক দোকানির মালামাল ভিজে যায়। বাধ্য হয়ে তারা সেগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন। সোমবার সকাল থেকে দোকানের সামনে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করে নতুন করে মালামাল সাজাতে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা যায় তাদের।

তবে বেলা ১১টা পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো ক্রেতার দেখা মেলেনি। অনেক দোকানি অলস সময় কাটাচ্ছিলেন আবার কেউ কেউ সম্ভাব্য ক্রেতার অপেক্ষায় দোকানে বসে ছিলেন।

নিউমার্কেটের একাধিক দোকান মালিক ও কর্মচারী জাগো নিউজকে বলেন, মার্কেটের সামনের সড়কে এখনো জলাবদ্ধতা রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই পানি ঠেলে অনেক ক্রেতা মার্কেটে আসতে চাইছেন না। ফলে আজও বেচাকেনা হবে না বললেই চলে।

jagonews24

তারা বলেন, বৃষ্টি হলেই নিউমার্কেটের গেটের সামনে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এটি যেন আমাদের নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে প্রতিবারই ব্যবসায়িকভাবে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

এক ব্যবসায়ী বলেন একদিন দোকান বন্ধ থাকলে শুধু ওই দিনের বিক্রিই নয়, দোকানভাড়া, কর্মচারীদের বেতনসহ প্রতিদিনের নির্ধারিত খরচ বহন করতে হয়। অথচ প্রতি বছর একই সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, রাজধানীর অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী এই বিপণিবিতানের সামনে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি। তা না করা হলে প্রতি বর্ষায় একই দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি ঘটবে। এতে ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি ক্রেতারাও ভোগান্তির শিকার হবেন।

এমইউ/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow