নিখোঁজের ৫ দিন পর মায়ের কোলে ফিরল শান
নিখোঁজের পাঁচ দিন পর মায়ের কোলে ফিরেছে বরিশাল কালেক্টরেট স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৌরভ দাস শান। কক্সবাজার থেকে উদ্ধারের পর তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে সৌরভ দাসকে হস্তান্তর করে পুলিশ। এসময় হারানো সন্তানকে ফিরে পেয়ে আনন্দে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শানের মা মিতু রাণীসহ পরিবারের সদস্যরা। বড় ভাইকে পাশে পেয়ে খুনসুটি আর দুষ্টুমিতে মেতে ওঠে ছোট বোনটিও। এর আগে বুধবার (৬ মে) রাত ৩টার দিকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কক্সবাজার ঈদগাহ থানা পুলিশ উদ্ধার করে নিখোঁজ সৌরভ দাস শানকে। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানায় নিয়ে আসা হয়। এসময় তার মা ও পরিবারের সদস্যরা সঙ্গে ছিলেন। সেখানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) শানের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানান, গত ২ মে রাত সাড়ে ৯টার দিকে খিচুড়ি কিনতে মায়ের মোবাইল নিয়ে বের হয়ে ভাটিখানা মন্দিরের সামনে যায়। সেখানে একটি বিকাশের দোকান থেকে ৮০০০ টাকা উত্তোলন করে পার্শ্ববর্তী দোকানে খিচুড়ি কিনতে যায়। এরপর থেকেই নিখোঁজ হয় শান। উপপুলিশ
নিখোঁজের পাঁচ দিন পর মায়ের কোলে ফিরেছে বরিশাল কালেক্টরেট স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৌরভ দাস শান। কক্সবাজার থেকে উদ্ধারের পর তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে সৌরভ দাসকে হস্তান্তর করে পুলিশ। এসময় হারানো সন্তানকে ফিরে পেয়ে আনন্দে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শানের মা মিতু রাণীসহ পরিবারের সদস্যরা। বড় ভাইকে পাশে পেয়ে খুনসুটি আর দুষ্টুমিতে মেতে ওঠে ছোট বোনটিও।
এর আগে বুধবার (৬ মে) রাত ৩টার দিকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কক্সবাজার ঈদগাহ থানা পুলিশ উদ্ধার করে নিখোঁজ সৌরভ দাস শানকে। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানায় নিয়ে আসা হয়।
এসময় তার মা ও পরিবারের সদস্যরা সঙ্গে ছিলেন। সেখানে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) শানের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানান, গত ২ মে রাত সাড়ে ৯টার দিকে খিচুড়ি কিনতে মায়ের মোবাইল নিয়ে বের হয়ে ভাটিখানা মন্দিরের সামনে যায়। সেখানে একটি বিকাশের দোকান থেকে ৮০০০ টাকা উত্তোলন করে পার্শ্ববর্তী দোকানে খিচুড়ি কিনতে যায়। এরপর থেকেই নিখোঁজ হয় শান।
উপপুলিশ কমিশনার জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়ে পুলিশের একাধিক টিম তাকে উদ্ধারে কাজ শুরু করে। পরে ৬ মে কক্সবাজার থেকে শানকে উদ্ধার করে পুলিশ। তার নিখোঁজের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ফিরে আসা শান জানায়, টাকা তুলে খিচুড়ির অর্ডার দিয়ে সামনে হাঁটা চলা করার সময় এক ব্যক্তি তার কাছে একটি কাগজ দিয়ে ঠিকানা জানতে চায়। এর পর থেকে তার আর কিছু মনে নেই।
শানকে ফিরে পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে তার পরিবারে। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন তার মা মিতু রাণী দাসসহ পরিবারের সদস্যরা।
What's Your Reaction?