নিখোঁজের তিন দিন পর মাটিচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধার
রংপুরের তারাগঞ্জে মাটি চাপা দেওয়া অবস্থায় তিন দিন আগে নিখোঁজ হওয়া এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর ঝাকুয়াপাড়ার একটি দোলায় তামাক ক্ষেতের পাশের ফাঁকা জমিতে পুতে রাখা লাশটি উদ্ধার করে তারাগঞ্জ থানা পুলিশ। নিহত ওই ব্যক্তির নাম মঞ্জুরুল ইসলাম। তিনি উপজেলার ২নং কুর্শার পশ্চিম অনন্তপুর এলাকার ফরিজ উদ্দিনের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আনুমানিক সকাল ১০টায় মঞ্জুরুল বাসা থেকে কাজের উদ্দেশ্যে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কথা বলে বের হন। ওইদিন রাত ১২টা পর্যন্ত বাসায় না ফিরলে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করা হয়। পরে ২৫ ফেব্রুয়ারি পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় জিডি করা হয়। ওই দিনই বিকেলে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর ঝাকুয়াপাড়ার একটি তামাক দোলায় রক্ত দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ও পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটিতে রক্ত দেখতে পেলেও তা কিসের রক্ত বা কার রক্ত তেমন কোনো কিছু শনাক্ত করা যায়নি। পরবর্তীতে ২৬ ফেব্রুয়ারি আনুমানিক দুপুর ১২ টার দিকে একই দোলার আরেকটি চাষাবাদি জমির পাশে রক্ত দেখতে পায় স্থানীরা। পরে খবর পেয়ে প্র
রংপুরের তারাগঞ্জে মাটি চাপা দেওয়া অবস্থায় তিন দিন আগে নিখোঁজ হওয়া এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর ঝাকুয়াপাড়ার একটি দোলায় তামাক ক্ষেতের পাশের ফাঁকা জমিতে পুতে রাখা লাশটি উদ্ধার করে তারাগঞ্জ থানা পুলিশ।
নিহত ওই ব্যক্তির নাম মঞ্জুরুল ইসলাম। তিনি উপজেলার ২নং কুর্শার পশ্চিম অনন্তপুর এলাকার ফরিজ উদ্দিনের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আনুমানিক সকাল ১০টায় মঞ্জুরুল বাসা থেকে কাজের উদ্দেশ্যে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কথা বলে বের হন। ওইদিন রাত ১২টা পর্যন্ত বাসায় না ফিরলে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করা হয়। পরে ২৫ ফেব্রুয়ারি পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় জিডি করা হয়। ওই দিনই বিকেলে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর ঝাকুয়াপাড়ার একটি তামাক দোলায় রক্ত দেখতে পায় স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে পুলিশ ও পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটিতে রক্ত দেখতে পেলেও তা কিসের রক্ত বা কার রক্ত তেমন কোনো কিছু শনাক্ত করা যায়নি। পরবর্তীতে ২৬ ফেব্রুয়ারি আনুমানিক দুপুর ১২ টার দিকে একই দোলার আরেকটি চাষাবাদি জমির পাশে রক্ত দেখতে পায় স্থানীরা। পরে খবর পেয়ে প্রশাসন ও পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে সদ্য আলু তোলা জমিটি এক ধারের নরম ও উচু জায়গায় সন্দেহমূলক খনন করলে মরদেহের হাত বের হয়। তখন সেটি নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ বলে শনাক্ত করে তার পারিবার। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তারাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রুহুল আমিন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ, সিআইডিসহ গোয়েন্দা শাখার বিভিন্ন ইউনিট আলামত উদ্ধার করেছে। মরদেহ থানা নিয়ে এসেছি ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জিডি করা আছে, এরই ধারাবাহিকতায় মামলা প্রক্রিয়ায় চলমান।
What's Your Reaction?