নিখোঁজের তিনদিন পর রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার

খুলনায় নিখোঁজের তিনদিন পর নদীতে ভাসমান অবস্থায় রিকশাচালক হানিফ শেখের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৪ মার্চ) ভোরে জেলখানা খেয়া ঘাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘাট এলাকার স্থানীয়রা জানায়, সেহরির কিছুক্ষণ পর নদীতে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ দেখা যায়। এর পর তারা স্থানীয় থানায় খবর দিলে তারা নৌপুলিশকে বিষয়টি অবগত করে। নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে। নৌপুলিশ খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল আক্তার বলেন, ভোর ৫টার দিকে সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে হানিফ শেখের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারকে খবর দিলে সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসে। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার যখন তিনি গোসলের জন্য ভৈরব নদের ৪নং ঘাটে নামে তখন স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে দেখা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, হানিফ শেখ ৪নং ঘাট এলাকার বাসিন্দা আজিজ শেখের ছেলে। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে সারারাত রিকশা চালিয়ে ভৈরব নদে গোসল করে বাড়িতে ফেরেন। বৃহস্পতিবার তিনি ভোর ৬টার দিকে নদীতে গোসলের জন্য নেমে নিখোঁজ হন। পরে পরিবারের সদস্যরা নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্

নিখোঁজের তিনদিন পর রিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার

খুলনায় নিখোঁজের তিনদিন পর নদীতে ভাসমান অবস্থায় রিকশাচালক হানিফ শেখের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৪ মার্চ) ভোরে জেলখানা খেয়া ঘাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

ঘাট এলাকার স্থানীয়রা জানায়, সেহরির কিছুক্ষণ পর নদীতে এক ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ দেখা যায়। এর পর তারা স্থানীয় থানায় খবর দিলে তারা নৌপুলিশকে বিষয়টি অবগত করে। নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে।

নৌপুলিশ খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল আক্তার বলেন, ভোর ৫টার দিকে সংবাদ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে হানিফ শেখের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারকে খবর দিলে সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসে। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার যখন তিনি গোসলের জন্য ভৈরব নদের ৪নং ঘাটে নামে তখন স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে দেখা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, হানিফ শেখ ৪নং ঘাট এলাকার বাসিন্দা আজিজ শেখের ছেলে। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে সারারাত রিকশা চালিয়ে ভৈরব নদে গোসল করে বাড়িতে ফেরেন। বৃহস্পতিবার তিনি ভোর ৬টার দিকে নদীতে গোসলের জন্য নেমে নিখোঁজ হন। পরে পরিবারের সদস্যরা নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের খবর দেয়। ওই দিন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও স্থানীয় ডুবুরিরা ভৈরব নদের বিভিন্ন স্থানে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে না পেয়ে সন্ধ্যায় তা বন্ধ করে দেয়। নিখোঁজের তিনদিন পর শনিবার ভোর রাতে জেলখানা খেয়া ঘাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow