নিখোঁজের ১০ দিন পর পুকুরে মিলল কাস্টমস সিপাহির খণ্ডিত মরদেহ
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় নিখোঁজের ১০ দিন পর কাস্টমসের সিপাহি আবু রায়হান তালুকদারের খণ্ড খণ্ড মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের সোয়াইতপুর এলাকায় বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আবু রায়হান তালুকদার একই গ্রামের মৃত আবু বকর সিদ্দিক তালুকদার ও রাহেলা খাতুন দম্পতির ছেলে। তিনি বাংলাদেশ কাস্টম হাউস কমলাপুরে সিপাহি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিহত আবু রায়হান গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে নিজ বাড়িতে আসেন। বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণকারী (কেয়ারটেকার) রাজুকে নিয়ে রাতে নিজ ঘরে অবস্থান করছিলেন। পরের দিন শুক্রবার কর্মস্থলে যোগ দিতে রাজুকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। দুদিন পর সোমবার তার অফিসের এক সহকর্মী নিহতের চাচাতো বোন প্রভাষক নাজমুন্নাহার বিউটিকে মোবাইলে জানান, আবু রায়হান অফিসে আসেননি। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটিও বন্ধ রয়েছে। এরপর থেকে আত্মীয়স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোথাও সন্ধান না পেয়ে ২৭ জুলাই রাতে আবু রায়হানের বড় ভাই মো. নূরুল ইসলাম ছোট ভাই নিখোঁজ উল্লেখ করে ফুলবাড়িয়া থানায় একটি স
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় নিখোঁজের ১০ দিন পর কাস্টমসের সিপাহি আবু রায়হান তালুকদারের খণ্ড খণ্ড মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের সোয়াইতপুর এলাকায় বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আবু রায়হান তালুকদার একই গ্রামের মৃত আবু বকর সিদ্দিক তালুকদার ও রাহেলা খাতুন দম্পতির ছেলে। তিনি বাংলাদেশ কাস্টম হাউস কমলাপুরে সিপাহি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিহত আবু রায়হান গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে নিজ বাড়িতে আসেন। বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণকারী (কেয়ারটেকার) রাজুকে নিয়ে রাতে নিজ ঘরে অবস্থান করছিলেন। পরের দিন শুক্রবার কর্মস্থলে যোগ দিতে রাজুকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। দুদিন পর সোমবার তার অফিসের এক সহকর্মী নিহতের চাচাতো বোন প্রভাষক নাজমুন্নাহার বিউটিকে মোবাইলে জানান, আবু রায়হান অফিসে আসেননি। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটিও বন্ধ রয়েছে।
এরপর থেকে আত্মীয়স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোথাও সন্ধান না পেয়ে ২৭ জুলাই রাতে আবু রায়হানের বড় ভাই মো. নূরুল ইসলাম ছোট ভাই নিখোঁজ উল্লেখ করে ফুলবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। পরের দিন জিডির তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে তার কেয়ারটেকার রাজু ও তার বন্ধু জিতুল পলাতক। পরে তদন্ত করে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে তিনটি ব্যাগে খণ্ডিত মরদেহ পাওয়া যায়।
ফুলবাড়িয়া থানার ওসি রাশেদুল হাসান বলেন, টুকরো টুকরো করে মরদেহ ট্রাভেল ব্যাগ ও একটি বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। দুপুরের দিকে স্থানীয়রা পুকুরে বস্তা দেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে টুকরো টুকরো মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধারের পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে, কেন এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এখনো জানা যায়নি। তা জানতে তদন্ত চলছে।
What's Your Reaction?