নিখোঁজের ১১ ঘণ্টা পর স্কুল ভবনে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় স্কুল ছাত্রী উদ্ধার 

কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের ছএগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে হাত-পা ও মুখে টেপ বাঁধা অবস্থায় অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, মির্জানগর গ্রামের বাসিন্দা মুস্তাকের মেয়ে জিম খাতুন (৬ষ্ঠ শ্রেণি) বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যায়। অনুষ্ঠান শেষে সে আর বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর রাত প্রায় ৮টার দিকে তারা বিদ্যালয়ের পিয়ন হামিদুলের কাছে মেয়েটির খোঁজ জানতে চান এবং বিদ্যালয় চেক করার জন্য চাবি চান। তবে পিয়ন বিদ্যালয়ে কেউ নেই বলে দাবি করে চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ সময় স্থানীয়দের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা জোরপূর্বক বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে তৃতীয় তলার একটি কক্ষে জিম খাতুনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার হাত-পা বাঁধা এবং মুখে টেপ লাগানো ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎস

নিখোঁজের ১১ ঘণ্টা পর স্কুল ভবনে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় স্কুল ছাত্রী উদ্ধার 

কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের ছএগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে হাত-পা ও মুখে টেপ বাঁধা অবস্থায় অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, মির্জানগর গ্রামের বাসিন্দা মুস্তাকের মেয়ে জিম খাতুন (৬ষ্ঠ শ্রেণি) বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যায়। অনুষ্ঠান শেষে সে আর বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর রাত প্রায় ৮টার দিকে তারা বিদ্যালয়ের পিয়ন হামিদুলের কাছে মেয়েটির খোঁজ জানতে চান এবং বিদ্যালয় চেক করার জন্য চাবি চান। তবে পিয়ন বিদ্যালয়ে কেউ নেই বলে দাবি করে চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান।

এ সময় স্থানীয়দের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে স্থানীয়রা জোরপূর্বক বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে তৃতীয় তলার একটি কক্ষে জিম খাতুনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার হাত-পা বাঁধা এবং মুখে টেপ লাগানো ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে ৯৯৯ মাধ্যমে অবহিত হয়ে মিরপুর থানা পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছায়। এ সময় থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল আজিজ ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং জানান, মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা, দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow