নিখোঁজের ২৬ দিন পর টয়লেটের ট্যাংকি থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে নিখোঁজের ২৬ দিন পর চার মাস বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের দাড়িয়াকান্দি (কাঁঠালতলা) এলাকায় বাড়ির পেছনের টয়লেটের ট্যাংকি পরিষ্কার করতে গিয়ে শিশুটির দাদা মরদেহটি দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পানির ভেতরে থাকায় মরদেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল। শিশুটির নাম আশরাফুল ইসলাম। তার বাবা মো. শাহীন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর গাড়িচালক। স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটির মা তাকে ঘরের ভেতরে দোলনায় শুইয়ে রেখে বাড়ির পাশেই ঝাড়ু দিতে যান। কিছুক্ষণ পর সাত বছর বয়সী বড় ছেলে এসে জানায়, দোলনায় ছোট ভাই নেই। পরিবারের সদস্যরা ঘর ও আশপাশে খোঁজ করেও শিশুটির সন্ধান পাননি। নিখোঁজের পর এক প্রতিবেশী দাবি করেছিলেন, বোরকা পরা তিন নারীকে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করতে দেখা গেছে এবং তাদের একজনের হাতে একটি শিশু ছিল। ওই বক্তব্যের পর এলাকায় শিশু চুরির আশঙ্কা জোরালো হয়। কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ জানান, নিখোঁজের পর থেকেই তদন্ত চলছিল। মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি গুরুত্বসহ

নিখোঁজের ২৬ দিন পর টয়লেটের ট্যাংকি থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে নিখোঁজের ২৬ দিন পর চার মাস বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের দাড়িয়াকান্দি (কাঁঠালতলা) এলাকায় বাড়ির পেছনের টয়লেটের ট্যাংকি পরিষ্কার করতে গিয়ে শিশুটির দাদা মরদেহটি দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পানির ভেতরে থাকায় মরদেহটি পচাগলা অবস্থায় ছিল।

শিশুটির নাম আশরাফুল ইসলাম। তার বাবা মো. শাহীন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর গাড়িচালক।

স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটির মা তাকে ঘরের ভেতরে দোলনায় শুইয়ে রেখে বাড়ির পাশেই ঝাড়ু দিতে যান। কিছুক্ষণ পর সাত বছর বয়সী বড় ছেলে এসে জানায়, দোলনায় ছোট ভাই নেই। পরিবারের সদস্যরা ঘর ও আশপাশে খোঁজ করেও শিশুটির সন্ধান পাননি।

নিখোঁজের পর এক প্রতিবেশী দাবি করেছিলেন, বোরকা পরা তিন নারীকে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করতে দেখা গেছে এবং তাদের একজনের হাতে একটি শিশু ছিল। ওই বক্তব্যের পর এলাকায় শিশু চুরির আশঙ্কা জোরালো হয়।

কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ জানান, নিখোঁজের পর থেকেই তদন্ত চলছিল। মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এদিকে শিশুটির দাদী অভিযোগ করেছেন, তার ছোট ছেলের স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতেন এবং বিভিন্ন সময় হুমকি দিতেন। তার দাবি, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow