নিজ ঘরে যুবককে গলা কেটে হত্যা
নেত্রকোনা সদর উপজেলায় নিজ ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় মাহফুল ওরফে মাসুল নামের এক যুবককে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নের দুয়ানী দুধকুড়া পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাহফুল মিয়া (৩৫) একই এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে খাবার খেয়ে মাহফুল নিজ ঘরে একা ঘুমিয়ে পড়েন। ধারণা করা হচ্ছে, রাত ১২টা থেকে ভোর পৌনে ৫টার মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাকে গলা কেটে হত্যা করে। ভোরে মাহফুলের মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা খোলা দেখতে পান। পরে টর্চের আলো জ্বালিয়ে তিনি বিছানায় ছেলেকে গলাকাটা ও রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। নিহতের মা সখিনা আক্তার বলেন, প্রতিবেশী সুরুজ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছে। আমার ধারণা, বিরোধের জের ধরে এ নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি পর নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। কী
নেত্রকোনা সদর উপজেলায় নিজ ঘরে ঘুমন্ত অবস্থায় মাহফুল ওরফে মাসুল নামের এক যুবককে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতী ইউনিয়নের দুয়ানী দুধকুড়া পশ্চিমপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাহফুল মিয়া (৩৫) একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে খাবার খেয়ে মাহফুল নিজ ঘরে একা ঘুমিয়ে পড়েন। ধারণা করা হচ্ছে, রাত ১২টা থেকে ভোর পৌনে ৫টার মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে তাকে গলা কেটে হত্যা করে। ভোরে মাহফুলের মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা খোলা দেখতে পান। পরে টর্চের আলো জ্বালিয়ে তিনি বিছানায় ছেলেকে গলাকাটা ও রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন।
নিহতের মা সখিনা আক্তার বলেন, প্রতিবেশী সুরুজ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছে। আমার ধারণা, বিরোধের জের ধরে এ নৃশংস ঘটনা ঘটেছে।
নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি পর নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
What's Your Reaction?