নিজ বাগানের ফসল হাতে তৃপ্ত জয়া
চমকপ্রদ মেকআপ, ঝলমলে আলো আর ক্যামেরার ফ্ল্যাশ— এটাই তার চেনা জগৎ। কিন্তু গ্ল্যামারের সেই মায়াবী আস্তরণ ঝেড়ে ফেলে তিনি যখন মেঠো টুপিতে চুলে বিনুনি বেঁধে বাগানে নামেন, তখন চেনা দায় যে ইনিই দুই বাংলার হার্টথ্রব জয়া আহসান! পর্দার আভিজাত্য আর গাম্ভীর্য দূরে সরিয়ে এবার এক অন্য ‘সুন্দরী’র দেখা পেল ভক্তরা।
ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালে রাখতেই পছন্দ করেন এই অভিনেত্রী। কিন্তু প্রকৃতির প্রতি তার যে নিখাদ প্রেম, তা আর গোপন রইল না। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জয়া শেয়ার করেছেন তার বাগানের সতেজ এক ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে, দামি গাউন নয়, বরং অতি সাধারণ পোশাকে পরম মমতায় গাছের পরিচর্যা করছেন তিনি। কখনো ধারালো কাঁচি হাতে সতেজ শসা কাটছেন, আবার কখনো বিশাল কলার থোকা হাতে নিয়ে তার চোখেমুখে উপচে পড়ছে অপার বিস্ময় ও আনন্দ।
ভিডিওতে দেখা যায়, বাগানের প্রতিটি কোণে যেন মিশে আছে জয়ার হাতের স্পর্শ। মাটির বুক চিরে উঠে আসা লাল শাক কিংবা করলার ফলন দেখে তাকে দেখা গেল ভীষণ উচ্ছ্বসিত। মাথায় হ্যাট পরে একদমই ‘কৃষক’ লুকে জয়া প্রমাণ করলেন, শান্তির খোঁজ আসলে মাটির কাছেই মেলে।
ব্যস্ত শ্যুটিং শিডিউল আর গ্ল্যামার দুনিয়ার ইঁদুর
চমকপ্রদ মেকআপ, ঝলমলে আলো আর ক্যামেরার ফ্ল্যাশ— এটাই তার চেনা জগৎ। কিন্তু গ্ল্যামারের সেই মায়াবী আস্তরণ ঝেড়ে ফেলে তিনি যখন মেঠো টুপিতে চুলে বিনুনি বেঁধে বাগানে নামেন, তখন চেনা দায় যে ইনিই দুই বাংলার হার্টথ্রব জয়া আহসান! পর্দার আভিজাত্য আর গাম্ভীর্য দূরে সরিয়ে এবার এক অন্য ‘সুন্দরী’র দেখা পেল ভক্তরা।
ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালে রাখতেই পছন্দ করেন এই অভিনেত্রী। কিন্তু প্রকৃতির প্রতি তার যে নিখাদ প্রেম, তা আর গোপন রইল না। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জয়া শেয়ার করেছেন তার বাগানের সতেজ এক ভিডিও। সেখানে দেখা যাচ্ছে, দামি গাউন নয়, বরং অতি সাধারণ পোশাকে পরম মমতায় গাছের পরিচর্যা করছেন তিনি। কখনো ধারালো কাঁচি হাতে সতেজ শসা কাটছেন, আবার কখনো বিশাল কলার থোকা হাতে নিয়ে তার চোখেমুখে উপচে পড়ছে অপার বিস্ময় ও আনন্দ।
ভিডিওতে দেখা যায়, বাগানের প্রতিটি কোণে যেন মিশে আছে জয়ার হাতের স্পর্শ। মাটির বুক চিরে উঠে আসা লাল শাক কিংবা করলার ফলন দেখে তাকে দেখা গেল ভীষণ উচ্ছ্বসিত। মাথায় হ্যাট পরে একদমই ‘কৃষক’ লুকে জয়া প্রমাণ করলেন, শান্তির খোঁজ আসলে মাটির কাছেই মেলে।
ব্যস্ত শ্যুটিং শিডিউল আর গ্ল্যামার দুনিয়ার ইঁদুর দৌড় থেকে নিজেকে সতেজ রাখতে জয়া বেছে নিয়েছেন এই সবুজ যাপন। তার এই সাদামাটা জীবনযাপন দেখে ভক্তরা ভাসছেন প্রশংসায়। অনেকেই বলছেন, জয়া কেবল রূপের রাণী নন, বরং প্রকৃতির সাথে একাত্ম হয়ে তিনি শিখিয়ে দিলেন কীভাবে শেকড়কে ভুলে না গিয়েও শীর্ষে থাকা যায়।