নিজের গুরু আইয়ুব বাচ্চুকে উৎসর্গ করে এস আই টুটুলের গান

প্রয়াত রক কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চুকে স্মরণ করে নতুন গান প্রকাশ করেছেন সংগীতশিল্পী এস আই টুটুল। ‘বন্ধু কেউ নয়’ শিরোনামের এই গানটি তিনি উৎসর্গ করেছেন তার প্রিয় শিক্ষক ও সংগীতগুরু আইয়ুব বাচ্চুকে। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেও নিয়মিত সংগীতচর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন টুটুল। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তিনি প্রকাশ করেছেন দুটি নতুন গান ‘বন্ধু কেউ নয়’ এবং ‘তুমি কৃষক ভালো না’। এর মধ্যে ‘বন্ধু কেউ নয়’ গানটি ঈদের দিন প্রকাশিত হয়। ‘তুমি কৃষক ভালো না’ মুক্তি পায় চাঁদরাতে। গান দুটি তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে উন্মুক্ত করা হয়েছে। ‘বন্ধু কেউ নয়’ গানটির কথা লিখেছেন শহীদুল হক সোহেল। গানে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি সুর ও সংগীত আয়োজনও করেছেন টুটুল নিজেই। গানটি শেয়ার করে সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘এই গানটি উৎসর্গ করছি আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক রক আইকন এ বি বসকে (আইয়ুব বাচ্চু)। যিনি এ বছর একুশে পদক পেয়েছেন। আল্লাহ পাক বসকে জান্নাত দান করুন।’ উল্লেখ্য, এস আই টুটুল একসময় এলআরবি ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেখানে তিনি কি-বোর্ড বাজানোর পাশাপাশি ব্যাকআপ ভোকাল হিসেবেও কাজ করেন। ২০০৩ সালের দিকে ব্যান্ডটি ছা

নিজের গুরু আইয়ুব বাচ্চুকে উৎসর্গ করে এস আই টুটুলের গান

প্রয়াত রক কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চুকে স্মরণ করে নতুন গান প্রকাশ করেছেন সংগীতশিল্পী এস আই টুটুল। ‘বন্ধু কেউ নয়’ শিরোনামের এই গানটি তিনি উৎসর্গ করেছেন তার প্রিয় শিক্ষক ও সংগীতগুরু আইয়ুব বাচ্চুকে।

দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেও নিয়মিত সংগীতচর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন টুটুল। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তিনি প্রকাশ করেছেন দুটি নতুন গান ‘বন্ধু কেউ নয়’ এবং ‘তুমি কৃষক ভালো না’। এর মধ্যে ‘বন্ধু কেউ নয়’ গানটি ঈদের দিন প্রকাশিত হয়। ‘তুমি কৃষক ভালো না’ মুক্তি পায় চাঁদরাতে।

গান দুটি তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে উন্মুক্ত করা হয়েছে।

‘বন্ধু কেউ নয়’ গানটির কথা লিখেছেন শহীদুল হক সোহেল। গানে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি সুর ও সংগীত আয়োজনও করেছেন টুটুল নিজেই।

গানটি শেয়ার করে সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘এই গানটি উৎসর্গ করছি আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক রক আইকন এ বি বসকে (আইয়ুব বাচ্চু)। যিনি এ বছর একুশে পদক পেয়েছেন। আল্লাহ পাক বসকে জান্নাত দান করুন।’

উল্লেখ্য, এস আই টুটুল একসময় এলআরবি ব্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেখানে তিনি কি-বোর্ড বাজানোর পাশাপাশি ব্যাকআপ ভোকাল হিসেবেও কাজ করেন। ২০০৩ সালের দিকে ব্যান্ডটি ছাড়ার পর তিনি গড়ে তোলেন নিজের ব্যান্ড ‘ফেস টু ফেস’। পরবর্তীতে একক ক্যারিয়ারে মনোযোগ দেন।

গানটির মাধ্যমে গুরু-শিষ্যের সম্পর্ক ও আবেগঘন স্মৃতির প্রতিফলন ঘটেছে বলে মনে করছেন সংগীতপ্রেমীরা।


এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow