নিজের ব্যানার-ফেস্টুন সরাচ্ছেন নবনির্বাচিত এমপি জাহাঙ্গীর

নির্বাচনের দুই দিন পরই নিজের ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের কাজ শুরু করেছেন ঢাকা-১৮ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। পরিবেশদূষণ রোধ ও জনদুর্ভোগ লাঘবে নিজ উদ্যোগে এসব নির্বাচনী প্রচারসামগ্রী অপসারণ করছেন তিনি। ঢাকা-১৮ আসনের উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নেতা-কর্মীদের নিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের কার্যক্রম চালান নবনির্বাচিত এমপি জাহাঙ্গীর হোসেন। পরিবেশ রক্ষা করা তার অন্যতম নৈতিক দায়িত্ব উল্লেখ করে জাহাঙ্গীর হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ব্যানার-ফেস্টুন লাগানো আইনত দণ্ডনীয় না হলেও, এটি পরিবেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। যেহেতু আমার প্রয়োজনে এই প্রচারসামগ্রী লাগানো হয়েছে, তাই জনগণের ভোগান্তি কমাতে সেগুলো সরিয়ে ফেলার দায়িত্বও আমার।’ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এর আগেও বড় কোনো রাজনৈতিক সমাবেশের পর তাঁরা একইভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছেন। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কাজের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে এস এম জাহাঙ্গীর জানান, ঢাকা-১৮ আসনের জন্য তাঁর প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হলো সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি বলে

নিজের ব্যানার-ফেস্টুন সরাচ্ছেন নবনির্বাচিত এমপি জাহাঙ্গীর

নির্বাচনের দুই দিন পরই নিজের ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের কাজ শুরু করেছেন ঢাকা-১৮ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। পরিবেশদূষণ রোধ ও জনদুর্ভোগ লাঘবে নিজ উদ্যোগে এসব নির্বাচনী প্রচারসামগ্রী অপসারণ করছেন তিনি।

ঢাকা-১৮ আসনের উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নেতা-কর্মীদের নিয়ে ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের কার্যক্রম চালান নবনির্বাচিত এমপি জাহাঙ্গীর হোসেন।

পরিবেশ রক্ষা করা তার অন্যতম নৈতিক দায়িত্ব উল্লেখ করে জাহাঙ্গীর হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ব্যানার-ফেস্টুন লাগানো আইনত দণ্ডনীয় না হলেও, এটি পরিবেশের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। যেহেতু আমার প্রয়োজনে এই প্রচারসামগ্রী লাগানো হয়েছে, তাই জনগণের ভোগান্তি কমাতে সেগুলো সরিয়ে ফেলার দায়িত্বও আমার।’

জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, এর আগেও বড় কোনো রাজনৈতিক সমাবেশের পর তাঁরা একইভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কাজের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে এস এম জাহাঙ্গীর জানান, ঢাকা-১৮ আসনের জন্য তাঁর প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হলো সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, ‘মানুষ সবার আগে নিরাপত্তা চায়। সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার মাধ্যমে আমি এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই। এটি নিশ্চিত হলে অন্যান্য সমস্যার সমাধান সহজ হবে।’

ঢাকা-১৮ আসনকে একটি আধুনিক ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নবনির্বাচিত এই প্রতিনিধি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow