নিয়ন্ত্রিত নীতিমালায় ই-সিগারেট ব্যবহার হ্রাসে কার্যকর : জরিপের ফল প্রকাশ
নিয়ন্ত্রিত নীতিমালা কাঠামোর আওতায় ই-সিগারেট বা ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেমস (ইএনডিএস) ব্যবহারে বৈশ্বিকভাবে ইতিবাচক জনস্বাস্থ্য ফলাফল দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন (বেন্ডস্টা)।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘গ্লোবাল ইএনডিএস পলিসি ল্যান্ডস্কেপ : এভিডেন্স-বেইজড রিভিউ অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক ডিরেকশন’ শীর্ষক ব্রিফিংয়ে সংগঠনটি এ তথ্য তুলে ধরে।
সংবাদ সম্মেলনে বেন্ডস্টার সভাপতি সুমন জামান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) প্রকাশিত ২০২৫ সালের ন্যাশনাল ইয়ুথ টোব্যাকো সার্ভে অনুযায়ী, দেশটিতে তরুণদের মধ্যে ই-সিগারেট ব্যবহার কমে প্রায় ৫.২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সময়ে সামগ্রিক তামাক ব্যবহার কমে দাঁড়িয়েছে ৭.৫ শতাংশে এবং সিগারেট সেবনও ঐতিহাসিকভাবে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।
সংগঠনটির দাবি, বিশ্বব্যাপী অনেক ব্যবহারকারী ধূমপান ত্যাগ বা ক্ষতি কমানোর উদ্দেশ্যে ইএনডিএস গ্রহণ করছেন। বেন্ডস্টার মতে, যেসব দেশে এসব পণ্য নিষিদ্ধ না করে নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর আওত
নিয়ন্ত্রিত নীতিমালা কাঠামোর আওতায় ই-সিগারেট বা ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেমস (ইএনডিএস) ব্যবহারে বৈশ্বিকভাবে ইতিবাচক জনস্বাস্থ্য ফলাফল দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন (বেন্ডস্টা)।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘গ্লোবাল ইএনডিএস পলিসি ল্যান্ডস্কেপ : এভিডেন্স-বেইজড রিভিউ অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক ডিরেকশন’ শীর্ষক ব্রিফিংয়ে সংগঠনটি এ তথ্য তুলে ধরে।
সংবাদ সম্মেলনে বেন্ডস্টার সভাপতি সুমন জামান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) প্রকাশিত ২০২৫ সালের ন্যাশনাল ইয়ুথ টোব্যাকো সার্ভে অনুযায়ী, দেশটিতে তরুণদের মধ্যে ই-সিগারেট ব্যবহার কমে প্রায় ৫.২ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। একই সময়ে সামগ্রিক তামাক ব্যবহার কমে দাঁড়িয়েছে ৭.৫ শতাংশে এবং সিগারেট সেবনও ঐতিহাসিকভাবে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।
সংগঠনটির দাবি, বিশ্বব্যাপী অনেক ব্যবহারকারী ধূমপান ত্যাগ বা ক্ষতি কমানোর উদ্দেশ্যে ইএনডিএস গ্রহণ করছেন। বেন্ডস্টার মতে, যেসব দেশে এসব পণ্য নিষিদ্ধ না করে নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে, সেসব দেশেই ইতিবাচক ফলাফল বেশি দেখা যাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে বেন্ডস্টার সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সন্ধিক্ষণে রয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে নিয়ন্ত্রিত কাঠামো প্রণয়ন করা হলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত করা সম্ভব।
আন্তর্জাতিক গবেষণার তথ্য তুলে ধরে জানানো হয়, দহনযোগ্য সিগারেট থেকে তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্পে রূপান্তর জনস্বাস্থ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নিউজিল্যান্ডভিত্তিক এক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ইএনডিএস-এর প্রাপ্যতা বাড়ালে প্রায় ১ লাখ ৯৫ হাজার কোয়ালিটি-অ্যাডজাস্টেড লাইফ-ইয়ার (কিউএএলএস) অর্জন এবং প্রায় ২.৮ বিলিয়ন নিউজিল্যান্ড ডলার স্বাস্থ্যখাতে সাশ্রয় সম্ভব।
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বেন্ডস্টা জানায়, বিশ্বের ১৯৮টি দেশের মধ্যে ১৫৬টি দেশ—অর্থাৎ প্রায় ৭৮.৮ শতাংশ—কোনো না কোনো আইনি কাঠামোর আওতায় ইএনডিএস ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। অন্যদিকে, যেখানে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, সেখানে কালোবাজার বৃদ্ধি এবং অনিয়ন্ত্রিত পণ্যের বিস্তার ঘটেছে বলে দাবি করা হয়।
এ সময় বেন্ডস্টার অ্যাডিশনাল জেনারেল সেক্রেটারি তৌফিক আহমেদসহ সংগঠনের অন্যান্য নির্বাহী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।