নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সারাদেশে মাটির পরীক্ষা চালানো হচ্ছে
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে মাটির পরীক্ষা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। আগামী চার মাসের মধ্যে দেশের সব মাটির পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এরপর মাটির উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) স্থানীয় স্ট্রেইন থেকে উদ্ভাবিত এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং গোট পক্স ভ্যাকসিন সিড প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর উপলক্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন। নিরাপদ খাদ্য ও খাদ্য উৎপাদনে মাটির গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাটির যথাযথ পরিচর্যা বা চিকিৎসা হয়নি। ফলে মাটিতে ভারী ধাতুর উপস্থিতি দেখা দিয়েছে। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে মাটির পরীক্ষা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা আশা করি আগামী চা
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে মাটির পরীক্ষা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
আগামী চার মাসের মধ্যে দেশের সব মাটির পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এরপর মাটির উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) স্থানীয় স্ট্রেইন থেকে উদ্ভাবিত এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং গোট পক্স ভ্যাকসিন সিড প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর উপলক্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু উপস্থিত ছিলেন।
নিরাপদ খাদ্য ও খাদ্য উৎপাদনে মাটির গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাটির যথাযথ পরিচর্যা বা চিকিৎসা হয়নি। ফলে মাটিতে ভারী ধাতুর উপস্থিতি দেখা দিয়েছে। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে মাটির পরীক্ষা চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, আমরা আশা করি আগামী চার মাসের মধ্যে সব মাটির পরীক্ষার প্রতিবেদন আমাদের কাছে এসে যাবে। এরপর আমরা মাটির উন্নয়নে হাত দেবো।
নিরাপদ খাদ্যের সঙ্গে রোগব্যাধির সম্পর্কের বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানান মন্ত্রী। বিশেষ করে কৃষিতে কীটনাশকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়েই কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। তবে ফসলের ধরন ও উৎপাদনকাল অনুযায়ী কীটনাশকের ব্যবহারেও পার্থক্য রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ফসলের জন্য এক ধরনের এবং স্বল্পমেয়াদি ফসলের জন্য অন্য ধরনের কীটনাশক প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশে এ বিষয়ে যথাযথ নীতিমালা ছিল না।
কীটনাশক আমদানি, ব্যবহার ও বিক্রির ক্ষেত্রেও পর্যাপ্ত নীতিমালা না থাকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের এখানে দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, এ ধরনের কোনো নীতিমালা ছিল না। এই কীটনাশকগুলো ব্যবহারের নিয়ম-নীতির প্রশ্নেও কোনো নীতিমালা ছিল না। আমদানির ক্ষেত্রে কী ধরনের পরীক্ষা করা উচিত বা করতে বাধ্য এ ধরনের নীতিমালাও ছিল না।
এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সরকার এ বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ দল গঠন করেছে। এতে সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিদেরও রাখা হয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী এক মাসের মধ্যে ওই কমিটি একটি সুপারিশ বা প্রস্তাবনা দেবে। কীটনাশকের আমদানি, প্রয়োগ ও বিক্রয় এই তিনটি বিষয় বিবেচনায় নিয়েই প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবনা পাওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই করা হবে। এরপর বৃহৎ পরিসরে আরেকটি বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং অনুমোদনের পর সরকারি পর্যায়ে তা বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
কাজের সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন না রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কমিটি গঠনের পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। গত চার মাসে কীটনাশক-সংক্রান্ত বিষয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে এবং প্রায় এক মাস আগে সংশ্লিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যেই কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার আশা রয়েছে।
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকারের অবস্থান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। মানুষ এই দেশ, এ দেশের মানুষের জন্য। মানুষই যদি বাঁচতে না পারে, তবে দেশ দেশে থাকবে কে? এ ব্যাপারে সরকার প্রচণ্ড সিরিয়াস।
এমএএস/ইএ
What's Your Reaction?