নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি, বাহুবলে ৬ শিক্ষক ও দপ্তরীকে শোকজ
নির্ধারিত সময়ের আগেই শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়ার অভিযোগের ঘটনায় হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার হিলালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছয়জন শিক্ষক ও একজন দপ্তরীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলার কথা। তবে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিকেল ৩টার দিকেই বিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরে বিকেল ৩টা ১৬ মিনিটে বিদ্যালয়ের সামনে প্রধান শিক্ষিকা ও একজন সহকারী শিক্ষিকাকে পাওয়া গেলেও শ্রেণিকক্ষগুলোর সব দরজায় তালা ঝুলতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কনা রানী বলেন, ‘আমার এক নিকটাত্মীয় মারা যাওয়ায় আজ বিদ্যালয় আগে ছুটি দেওয়া হয়েছে।’
জানা গেছে, বিদ্যালয়ে মোট সাতজন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়ার বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে আগে থেকে অবহিত করা হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এ বিদ্যালয়ে প্রায়ই সরকারি নির্ধারিত সময়ের অন্তত এক ঘণ্টা আগে ছুটি দেওয়া হয়। পাশাপাশি শিক্ষকরা নিয়মিত নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে
নির্ধারিত সময়ের আগেই শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়ার অভিযোগের ঘটনায় হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার হিলালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছয়জন শিক্ষক ও একজন দপ্তরীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলার কথা। তবে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিকেল ৩টার দিকেই বিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। পরে বিকেল ৩টা ১৬ মিনিটে বিদ্যালয়ের সামনে প্রধান শিক্ষিকা ও একজন সহকারী শিক্ষিকাকে পাওয়া গেলেও শ্রেণিকক্ষগুলোর সব দরজায় তালা ঝুলতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা কনা রানী বলেন, ‘আমার এক নিকটাত্মীয় মারা যাওয়ায় আজ বিদ্যালয় আগে ছুটি দেওয়া হয়েছে।’
জানা গেছে, বিদ্যালয়ে মোট সাতজন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়ার বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে আগে থেকে অবহিত করা হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এ বিদ্যালয়ে প্রায়ই সরকারি নির্ধারিত সময়ের অন্তত এক ঘণ্টা আগে ছুটি দেওয়া হয়। পাশাপাশি শিক্ষকরা নিয়মিত নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন না এবং সময় শেষ হওয়ার আগেই বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। এতে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
বাহুবল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী কালবেলাকে বলেন, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। নির্ধারিত সময়ের আগে বিদ্যালয় ছুটি দেওয়ার ঘটনায় আগামী রোববার বিদ্যালয়ের ছয়জন শিক্ষক ও একজন দপ্তরীকে শোকজ করা হবে। তবে একজন সহকারী শিক্ষক অফিসিয়াল কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিসে উপস্থিত ছিলেন।
বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায় বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা সরকারি বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী পাঠদান নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়িত্বে অবহেলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।