নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি, সিরাজগঞ্জে কলেজ প্রভাষক বরখাস্ত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করতে অপরাগতা জানানো ও অসদাচরণের দায়ে সিরাজগঞ্জের এক কলেজ প্রভাষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও রিটার্নিং অফিসার আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই আদেশ জারি করা হয়। বরখাস্ত হওয়া আবু তালিব কাজীপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজের প্রভাষক। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬-এ তাকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে ভোটগ্রহণের মাত্র একদিন বাকি থাকতে নিয়োগপত্র গ্রহণের সময় তিনি ওই দায়িত্বকে ‘কষ্টকর ও ঝুঁকিপূর্ণ’ অভিহিত করে দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানান। এতে আরও বলা হয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তাকে দায়িত্ব পালনের জন্য বারবার অনুরোধ করলেও তিনি তা উপেক্ষা করেন। এমনকি তিনি প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে একটি আবেদনপত্র নির্বাচন কর্মকর্তার টেবিলে রেখে চলে যান। সে সময় তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, ‘চাকরি চলে গেলে কিংবা জেলে যেতে হলেও তিনি ওই কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন না।’ নির্ব
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করতে অপরাগতা জানানো ও অসদাচরণের দায়ে সিরাজগঞ্জের এক কলেজ প্রভাষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও রিটার্নিং অফিসার আমিনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে এই আদেশ জারি করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া আবু তালিব কাজীপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজের প্রভাষক। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬-এ তাকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তবে ভোটগ্রহণের মাত্র একদিন বাকি থাকতে নিয়োগপত্র গ্রহণের সময় তিনি ওই দায়িত্বকে ‘কষ্টকর ও ঝুঁকিপূর্ণ’ অভিহিত করে দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানান।
এতে আরও বলা হয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা তাকে দায়িত্ব পালনের জন্য বারবার অনুরোধ করলেও তিনি তা উপেক্ষা করেন। এমনকি তিনি প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে একটি আবেদনপত্র নির্বাচন কর্মকর্তার টেবিলে রেখে চলে যান। সে সময় তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, ‘চাকরি চলে গেলে কিংবা জেলে যেতে হলেও তিনি ওই কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন না।’
নির্বাচন কর্মকর্তা আইন, ১৯৯১ (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী, এমন আচরণকে ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য করে নির্বাচন কমিশন তাকে এক মাসের জন্য চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে সাময়িক বরখাস্ত থাকাকালীন তিনি বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন।
জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এম এ মালেক/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?