নির্বাচনের পর ঢাকা আসছেন মার্কিন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা

আর এক দিন পর (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে নতুন সরকার। আর বিদায় নেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এদিকে নতুন সরকারের সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে অংশীদারত্ব ও মসৃণ সম্পর্ক নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। ফলে নতুন সরকার গঠনের পরপরই বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এস পল কাপুর। সব ঠিক থাকলে ঈদের আগেই মার্চের শুরুতে পল কাপুরের ঢাকা আসার কথা রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ফেব্রুয়ারি মাসে পল কাপুরকে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পদের জন্য মনোনীত করেন। পরে তা মার্কিন সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটি অনুমোদন পায়। গত অক্টোবরে পল কাপুরের নিয়োগ চূড়ান্ত হয়। সূত্র আরও জানায়, আগামী ৬ থেকে ৯ মার্চ ঢাকা আসার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন পল কাপুর। নতুন সরকার গঠনের পরপরই যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক গাঢ় করার সংকল্প নিয়েছে। এ কারণেই পল কাপুরের সফর। প

নির্বাচনের পর ঢাকা আসছেন মার্কিন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা
আর এক দিন পর (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে নতুন সরকার। আর বিদায় নেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এদিকে নতুন সরকারের সঙ্গে দ্রুত সময়ের মধ্যে অংশীদারত্ব ও মসৃণ সম্পর্ক নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। ফলে নতুন সরকার গঠনের পরপরই বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এস পল কাপুর। সব ঠিক থাকলে ঈদের আগেই মার্চের শুরুতে পল কাপুরের ঢাকা আসার কথা রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ফেব্রুয়ারি মাসে পল কাপুরকে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি পদের জন্য মনোনীত করেন। পরে তা মার্কিন সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটি অনুমোদন পায়। গত অক্টোবরে পল কাপুরের নিয়োগ চূড়ান্ত হয়। সূত্র আরও জানায়, আগামী ৬ থেকে ৯ মার্চ ঢাকা আসার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন পল কাপুর। নতুন সরকার গঠনের পরপরই যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক গাঢ় করার সংকল্প নিয়েছে। এ কারণেই পল কাপুরের সফর। পল কাপুরের সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা ও ওয়াশিংটন সূত্রগুলো। তবে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো পরিস্থিতি তৈরি না হলে মার্চের শুরুতেই পল কাপুর আসছেন। গত বছরের জুনে সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির শুনানিতে পল কাপুর বলেছিলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি বৃহত্তর। মনোনয়ন নিশ্চিত হলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা জোরদার করা, চীনের প্রভাব মোকাবিলা এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে মার্কিন সহযোগিতা বৃদ্ধির পক্ষে কাজ করবেন। পল কাপুর দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার দায়িত্ব নেওয়ার আগে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি, নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে নেভাল পোস্টগ্র্যাজুয়েট স্কুলে অধ্যাপনা করেছেন। ২০২০-২০২১ সালে পল কাপুর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পরিকল্পনা কর্মকর্তা ছিলেন। সে সময় তিনি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া, ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল এবং যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ক নিয়ে কাজ করেছেন।  ওই দায়িত্ব পাওয়ার আগে পল কাপুর ক্লারমন্ট ম্যাককেনা কলেজে শিক্ষকতা করতেন, পাশাপাশি স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে ভিজিটিং অধ্যাপক ছিলেন। তিনি আমহার্স্ট কলেজ থেকে স্নাতক এবং ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো থেকে পিএইচডি শেষ করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow