নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক : সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক।  সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রবেশের সময় তিনি আপিলের বুথ পরিদর্শন করে এ কথা বলেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, সবার সহযোগিতা থাকলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে উপহার দেওয়া সম্ভব। এদিকে, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে আপিল দায়ের সংক্রান্ত ১০টি বুথ। ১নং বুথে খুলনা অঞ্চলের জেলা : মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা। ২নং বুথে রাজশাহী অঞ্চলের জেলা : জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা। ৩নং বুথে রংপুর অঞ্চলের জেলা : পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা। ৪নং বুথে চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেলা : চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি এবং বান্দরবান। ৫নং বুথে কুমিল্লা অঞ্চলের জেলা : ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর। ৬নং বুথে সিলে

নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক : সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত সন্তোষজনক।  সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রবেশের সময় তিনি আপিলের বুথ পরিদর্শন করে এ কথা বলেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, সবার সহযোগিতা থাকলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে উপহার দেওয়া সম্ভব। এদিকে, রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে আপিল দায়ের সংক্রান্ত ১০টি বুথ। ১নং বুথে খুলনা অঞ্চলের জেলা : মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা। ২নং বুথে রাজশাহী অঞ্চলের জেলা : জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা। ৩নং বুথে রংপুর অঞ্চলের জেলা : পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা। ৪নং বুথে চট্টগ্রাম অঞ্চলের জেলা : চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি এবং বান্দরবান। ৫নং বুথে কুমিল্লা অঞ্চলের জেলা : ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর। ৬নং বুথে সিলেট অঞ্চলের জেলা : সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ। ৭নং বুথে ঢাকা অঞ্চলের জেলা : টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ। ৮ নং বুথে ময়মনসিংহ অঞ্চলের জেলা : জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা। ৯নং বুথে বরিশাল অঞ্চলের জেলা : বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর। ১০নং বুথে ফরিদপুর অঞ্চলের জেলা : রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর জেলার মনোনায়নপত্র বাতিল ও গ্রহণ আদেশের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল দায়ের করা যাবে। ইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ কোনো প্রার্থী বা কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা কোনো সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান অথবা প্রার্থী কর্তৃক লিখিতভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত আপিল দায়ের করতে পারবেন। ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক ও তথ্য কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রাতে সারা দেশে কতগুলো মনোনয়নপত্র বৈধ এবং কতগুলো বাতিল হয়েছে তা প্রকাশ করা হবে। যেভাবে আপিল দায়ের করতে হবে আপিল আবেদন কমিশন সচিবালয়ের সচিবের কাছে নির্ধারিত ফরম্যাটে দায়ের করতে হবে। আপিল দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সংবলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে। আপিল আবেদনের ১টি মূলকপিসহ সর্বমোট ৭টি কপি দাখিল করতে হবে। আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনের আপিল আবেদন গ্রহণ সংক্রান্ত কেন্দ্রে নিজ নিজ অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে। আপিল আবেদন ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে দাখিল করতে হবে। আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপি পেতে নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করতে হবে। ওই ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে। আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিল আদেশের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত আপিলসমূহ নির্বাচন কমিশন আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে নিষ্পত্তি করবে। সংসদ নির্বাচনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি এবং সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুসরণ করতে হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow