নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কবে, জানালেন প্রেস সচিব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের শপথ আগামী ১৬-১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি। একই ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক গণভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করেন। তিনি জানান, গণভোটে দেশের মানুষ বিপুলভাবে ‘হ্যাঁ’ জয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে তাদের চূড়ান্ত রায় দিয়েছেন।  নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই গণভোটে মোট ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন ভোটার অংশ নিয়েছেন, যা মোট ভোটারের প্রায় ৬০ দশমিক ৮৪ শতাংশ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সংসদ নির্বাচনের চেয়েও গণভোটে ১ শতাংশ বেশি ভোটার উপস্থিত ছিলেন, যা জনগণের সংস্কার আকাঙ্ক্ষারই বহিঃপ্রকাশ। গণভোটের পরিসংখ্যান তুলে ধরে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, কাস্ট হওয়া ভোটের মধ্যে ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন ‘হ্যাঁ’ সূচক রায় দিয়েছেন, যা মোট ভোটের ৬৮.০৬ শতাংশ। অন্যদিকে, ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬টি, যা প্রায় ৩১ শতাংশ।  অধ্যাপক রীয়াজ আরও ব

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কবে, জানালেন প্রেস সচিব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের শপথ আগামী ১৬-১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি।

একই ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক গণভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করেন। তিনি জানান, গণভোটে দেশের মানুষ বিপুলভাবে ‘হ্যাঁ’ জয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে তাদের চূড়ান্ত রায় দিয়েছেন। 

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই গণভোটে মোট ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন ভোটার অংশ নিয়েছেন, যা মোট ভোটারের প্রায় ৬০ দশমিক ৮৪ শতাংশ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সংসদ নির্বাচনের চেয়েও গণভোটে ১ শতাংশ বেশি ভোটার উপস্থিত ছিলেন, যা জনগণের সংস্কার আকাঙ্ক্ষারই বহিঃপ্রকাশ।

গণভোটের পরিসংখ্যান তুলে ধরে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, কাস্ট হওয়া ভোটের মধ্যে ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন ‘হ্যাঁ’ সূচক রায় দিয়েছেন, যা মোট ভোটের ৬৮.০৬ শতাংশ। অন্যদিকে, ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬টি, যা প্রায় ৩১ শতাংশ। 

অধ্যাপক রীয়াজ আরও বলেন, এই গণভোটের রায় কেবল সংখ্যার বিচারে দেখলে হবে না; এটি ২০২৪ সালের আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের এক অনন্য স্বীকৃতি। শহীদরা যে লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছিলেন, এই রায়ের মাধ্যমে সেই দায়িত্বই বর্তমান ও আগামীর নেতৃত্বের ওপর অর্পণ করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের এই বিপুল ম্যান্ডেট সংস্কার প্রক্রিয়াকে আইনি ও নৈতিকভাবে শক্তিশালী করবে এবং একটি বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথ সুগম করবে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শপথ গ্রহণের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংসদীয় কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশের কাজ সম্পন্ন করেছে। এখন কেবল আনুষ্ঠানিক শপথের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিরা তাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow