‘নির্মল বাতাসের শহর’ রাজশাহী এখন শুধু অতীত কথা
একসময় দেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন ও নির্মল বাতাসের শহর হিসেবে সুনাম ছিল রাজশাহীর। রাজধানী ঢাকা কিংবা অন্যান্য বড় শহরের দূষিত পরিবেশ থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই রাজশাহীর উদাহরণ টানতেন। বিস্তৃত সবুজ, তুলনামূলক কম যানবাহন, সীমিত শিল্পায়ন এবং পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনার কারণে এই শহরকে দীর্ঘদিন ‘নির্মল বাতাসের শহর’ বলা হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই পরিচয় যেন ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। রাজশাহীর পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নগরজুড়ে ধুলিকণার পরিমাণ বাড়ছে। কমছে বড় গাছের সংখ্যা। সংকুচিত হচ্ছে জলাশয়। দ্রুত নগরায়নের চাপে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি বরেন্দ্র পরিবেশ উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার এক গবেষণায় উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য। সংস্থাটি ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে রাজশাহী নগরীর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাতাসে ভাসমান ক্ষতিকর কণার পরিমাণ পরিমাপ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র বছরের ব্যবধানে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর সূক্ষ্ম ধুলিকণা বা পিএম ২.৫-এর মাত্রা প্রায় ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৩ সালে তালাইমারী মোড়ে সর্বোচ্চ পিএম ২.৫ পাওয়া গিয়
একসময় দেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন ও নির্মল বাতাসের শহর হিসেবে সুনাম ছিল রাজশাহীর। রাজধানী ঢাকা কিংবা অন্যান্য বড় শহরের দূষিত পরিবেশ থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই রাজশাহীর উদাহরণ টানতেন। বিস্তৃত সবুজ, তুলনামূলক কম যানবাহন, সীমিত শিল্পায়ন এবং পরিবেশবান্ধব নগর ব্যবস্থাপনার কারণে এই শহরকে দীর্ঘদিন ‘নির্মল বাতাসের শহর’ বলা হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই পরিচয় যেন ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।
রাজশাহীর পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নগরজুড়ে ধুলিকণার পরিমাণ বাড়ছে। কমছে বড় গাছের সংখ্যা। সংকুচিত হচ্ছে জলাশয়। দ্রুত নগরায়নের চাপে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি বরেন্দ্র পরিবেশ উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার এক গবেষণায় উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য। সংস্থাটি ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে রাজশাহী নগরীর পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাতাসে ভাসমান ক্ষতিকর কণার পরিমাণ পরিমাপ করে।
গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র বছরের ব্যবধানে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর সূক্ষ্ম ধুলিকণা বা পিএম ২.৫-এর মাত্রা প্রায় ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৩ সালে তালাইমারী মোড়ে সর্বোচ্চ পিএম ২.৫ পাওয়া গিয়েছিল ৭৬ মাইক্রোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার। ২০২৪ সালে একই এলাকায় এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৯৭ মাইক্রোগ্রামে। আর ২০২৫ সালে রেলগেট এলাকায় পিএম ২.৫-এর মাত্রা পাওয়া গেছে ১২৫ মাইক্রোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার। অর্থাৎ তিন বছরে ক্ষতিকর ধুলিকণার পরিমাণ বেড়েছে ৪৭ মাইক্রোগ্রাম, যা শতাংশের হিসেবে ৬৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ।
‘বাতাসে ভাসমান সূক্ষ্ম ধুলিকণা বা পিএম ২.৫ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব কণা এতটাই ছোট যে, সহজেই শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করতে পারে। দীর্ঘদিন দূষিত বাতাসে বসবাস করলে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস, অ্যালার্জি ও বিভিন্ন ধরনের ফুসফুসজনিত রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়’
শুধু গবেষণার তথ্যই নয়, নগরবাসীর দৈনন্দিন অভিজ্ঞতাও একই বাস্তবতার কথা বলছে। কয়েক বছর আগেও রাজশাহীতে ধুলাবালুর এমন প্রকোপ ছিল না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এখন শহরের বিভিন্ন এলাকায় সকালবেলা দোকান বা অফিস খুলে প্রথম কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে ধুলা পরিষ্কার করা।
অনেক বাসিন্দার অভিযোগ, ঘরের জানালা কিছুক্ষণ খোলা রাখলেই আসবাবপত্রের ওপর ধুলার আস্তরণ জমে যায়। শহরের প্রধান সড়কগুলোতে চলাচলের সময়ও ধুলার কারণে অস্বস্তি অনুভব করছেন সাধারণ মানুষ।
ঢাকা থেকে রাজশাহী ভ্রমণে আসা জয়ন্তী রাণী বসাকও এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। বহুদিন ধরে তিনি শুনে আসছিলেন রাজশাহীর নির্মল বাতাসের কথা। কিন্তু শহরে পৌঁছে তার প্রথম অভিজ্ঞতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। রেলগেট এলাকায় নেমেই ধুলার কারণে তাকে মাস্ক কিনতে হয়। তার ভাষায়, রাজশাহীতে এসে যে নির্মল বাতাসের প্রত্যাশা করেছিলেন, বাস্তবে তার পরিবর্তে ধুলার মধ্য দিয়েই যাত্রা শুরু করতে হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বিষ-প্লাস্টিক-বর্জ্যে বিপন্ন সুন্দরবন
সংরক্ষিত বন থেকে উজাড় হচ্ছে গাছ-বাঁশ
সড়কের পাশের গাছ কাটতে কীভাবে অনুমতি নিতে হবে, হাইকোর্টের রায় প্রকাশ
খাল খননের সুযোগে চলছে গাছ কাটার মহোৎসব
সড়কের সরকারি গাছ কেটে নিজের স’ মিলে নিলেন বিএনপি নেতা!
শহরের প্রবেশমুখে ৩০ বছরের বিষাক্ত ভাগাড়
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজশাহীর বর্তমান বায়ুদূষণের পেছনে বড় কারণ শিল্পায়ন নয়, বরং অপরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় একযোগে সড়ক, ড্রেন, আবাসন ও অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। এসব নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বালু, খোয়া ও অন্যান্য সামগ্রী অনেক ক্ষেত্রে খোলা অবস্থায় রাখা হচ্ছে। পরিবহনের সময়ও নির্মাণসামগ্রী যথাযথভাবে ঢেকে নেওয়া হচ্ছে না। ফলে সামান্য বাতাসেই বিপুল পরিমাণ ধূলিকণা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে।
‘রাজশাহীর পরিবেশগত পরিবর্তনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সবুজের পরিমাণ কমে যাওয়া। একসময় নগরীর বিভিন্ন সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার পাশে বড় বড় গাছ ছিল। এসব গাছ শুধু ছায়াই দিতো না, বাতাসের ধুলিকণা শোষণ করে বায়ুমানও উন্নত রাখতো। কিন্তু সড়ক সম্প্রসারণ, নতুন অবকাঠামো নির্মাণ এবং নগরায়ণের কারণে অনেক পুরোনো গাছ কেটে ফেলা হয়েছে’
পরিবেশবিদদের মতে, নির্মাণস্থলে নিয়মিত পানি ছিটানো, সামগ্রী ঢেকে রাখা এবং পরিবেশগত নির্দেশনা মেনে কাজ করা হলে দূষণের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
বরেন্দ্র পরিবেশ উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সভাপতি প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেনের মতে, বর্তমানে রাজশাহীর বায়ুদূষণের প্রধান কারণ নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট ধূলিকণা। তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ঢেকে নেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই তা মানা হচ্ছে না। একইভাবে নির্মাণস্থলে নিয়মিত পানি ছিটানোর বিধান থাকলেও অনেক জায়গায় এর ব্যত্যয় ঘটছে। তার মতে, শুধু নির্মাণখাতেই পরিবেশবিধি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বর্তমান দূষণের বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
রাজশাহীর পরিবেশগত পরিবর্তনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সবুজের পরিমাণ কমে যাওয়া। একসময় নগরীর বিভিন্ন সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার পাশে বড় বড় গাছ ছিল। এসব গাছ শুধু ছায়াই দিতো না, বাতাসের ধুলিকণা শোষণ করে বায়ুমানও উন্নত রাখতো। কিন্তু সড়ক সম্প্রসারণ, নতুন অবকাঠামো নির্মাণ এবং নগরায়ণের কারণে অনেক পুরোনো গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।
পরিবেশবিদরা বলছেন, একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ বছরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ধুলিকণা শোষণ করতে পারে। ফলে বড় গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রভাব সরাসরি বায়ুর গুণগত মানের ওপর পড়ছে।
একই সঙ্গে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে নগরীর জলাশয় সংকোচন। বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় পুকুর ও খাল ভরাট করে আবাসন কিংবা বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে।
‘বর্তমানে রাজশাহীর বায়ুদূষণের প্রধান কারণ নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট ধূলিকণা। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ঢেকে নেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই তা মানা হচ্ছে না। একইভাবে নির্মাণস্থলে নিয়মিত পানি ছিটানোর বিধান থাকলেও অনেক জায়গায় এর ব্যত্যয় ঘটছে’
অন্যদিকে জলাশয় শুধু পানি সংরক্ষণ করে না; এটি স্থানীয় আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ, তাপমাত্রা কমানো এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জলাধার কমে যাওয়ার ফলে নগরীর পরিবেশগত ভারসাম্য আরও নাজুক হয়ে পড়ছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, পিএম ২.৫ ধরনের সূক্ষ্ম কণা মানুষের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব কণা সহজেই ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে রক্তপ্রবাহেও মিশে যেতে সক্ষম। এর ফলে শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হাঁপানি, হৃদরোগ এবং অন্যান্য জটিল স্বাস্থ্যসমস্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। শিশু, বয়স্ক এবং আগে থেকেই শ্বাসকষ্টে ভোগা মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস বলেন, ‘বাতাসে ভাসমান সূক্ষ্ম ধুলিকণা বা পিএম ২.৫ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এসব কণা এতটাই ছোট যে, সহজেই শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করতে পারে। দীর্ঘদিন দূষিত বাতাসে বসবাস করলে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস, অ্যালার্জি ও বিভিন্ন ধরনের ফুসফুসজনিত রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এছাড়া হৃদরোগী, শিশু, বয়স্ক ও আগে থেকে শ্বাসতন্ত্রের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। সাম্প্রতিক সময়ে ধুলাবালু বেড়ে যাওয়ায় শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যার রোগীও বাড়তে দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’
‘বায়ুদূষণ এখন আর শুধু পরিবেশগত সমস্যা নয়, এটি একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা’ বলে জানান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞানী অধ্যাপক এম মনজুর হোসেন।
তিনি বলেন, ‘বাতাসে থাকা সূক্ষ্ম ধূলিকণা মানুষের ফুসফুসে প্রবেশ করে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে। দীর্ঘদিন দূষিত বাতাসে থাকলে হৃদরোগ, ফুসফুসের জটিলতা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ে। রাজশাহীতে বর্তমানে যেভাবে নির্মাণকাজ চলছে, সেখানে পরিবেশগত নির্দেশনা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে বেশি বেশি গাছ লাগানো, বিদ্যমান জলাশয় সংরক্ষণ এবং ধুলিকণা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠতে পারে।’
এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোছা. তাছমিনা খাতুন জাগো নিউজকে বলেন, ‘নগরীতে চলমান বিভিন্ন রাস্তাঘাটের উন্নয়ন ও নির্মাণকাজ থেকে সৃষ্ট ধুলিকণা বর্তমানে বায়ুদূষণের অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি, ভবন নির্মাণ, নির্মাণসামগ্রী উন্মুক্তভাবে পরিবহন এবং পর্যাপ্ত পানি না ছিটানোর কারণে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি যানবাহনের নির্গত ধোঁয়া ও অপরিকল্পিত নগরায়ণও বায়ুর মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’
ধুলিকণার এই দূষণ কমাতে সচেতনতা খুবই প্রয়োজন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ঢেকে রাখা, নির্মাণস্থলে নিয়মিত পানি ছিটানো এবং পরিবেশবিধি মেনে কাজ করলে দূষণের মাত্রা অনেকটাই কমানো সম্ভব। পাশাপাশি নগরীর সবুজায়ন বৃদ্ধি ও জলাশয় ভরাট না করে সংরক্ষণে গুরুত্ব দিতে হবে।’
মনির হোসেন মাহিন/এসআর/এএসএম
What's Your Reaction?