নিয়োগ বিতর্কের ব্যাখ্যা দিল শেকৃবি প্রশাসন
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক উঠায়, এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো স্বজনপ্রীতি ছাড়া নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (২৬ এপ্রিল) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে বলা হয়, সম্প্রতি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ইউজিসির নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথমে লিখিত এরপর ডেমো ক্লাস। শেষে মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ায় তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। এই স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ হতে না পেরে আওয়ামী লীগ আমলে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক মীর রিফাত জাহান উষা বিভিন্নভাবে শেকৃবি প্রশাসনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উষা শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী, তৎকালীন সরাসরি নিষিদ্ধ ষোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। যার ফলস্বরূপ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিমের সরাসরি সুপারিশে কোনো লিখিত পরীক্ষা না দিয়ে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বি
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক উঠায়, এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো স্বজনপ্রীতি ছাড়া নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ইউজিসির নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথমে লিখিত এরপর ডেমো ক্লাস। শেষে মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ায় তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। এই স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ হতে না পেরে আওয়ামী লীগ আমলে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক মীর রিফাত জাহান উষা বিভিন্নভাবে শেকৃবি প্রশাসনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উষা শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী, তৎকালীন সরাসরি নিষিদ্ধ ষোষিত ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। যার ফলস্বরূপ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিমের সরাসরি সুপারিশে কোনো লিখিত পরীক্ষা না দিয়ে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগে নিয়োগ পান।
বার্তায় বলা হয়, পরবর্তীতে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থি শিক্ষক সংগঠন নীলদলে যুক্ত হন এবং নীল দলের ৩নং কার্যনির্বাহী সদস্য পদ বাগিয়ে নেন। খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে আওয়ামীপন্থি শিক্ষক সংগঠন নীল দলের হয়ে বিনাভোটে মহিলাবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন।
বার্তায় আরও বলা হয়, মীর রিফাত জাহান উষা ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে সরাসরি ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগকে সরাসরি অর্থায়ন করেন। এহেন কর্মকাণ্ডের পরও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লিখিতভাবে পাশ না করে বিভিন্নভাবে প্রশাসনকে চাপ দিতে থাকেন এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে অপপ্রচার চালান।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আব্দুল লতিফ বলেন, ‘লিখিত পরীক্ষায় পাশ না করলে কাউকে নিয়োগ প্রদান সম্ভব না।’
What's Your Reaction?