নীলফামারীতে ২ লক্ষাধিক শিশুকে দেওয়া হবে হামের টিকা

সারাদেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নীলফামারীতে শুরু হচ্ছে টিকাদান ক্যাম্পেইন। এ কর্মসূচির আওতায় জেলায় ২ লাখ ১০ হাজার ২৬৯ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে ইপিআই সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক জানান, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত জেলাজুড়ে এই ক্যাম্পেইন চলবে। এতে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশুকে বিনামূল্যে এক ডোজ হামের টিকা দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জেলার ছয়টি উপজেলা ও দুটি পৌরসভায় মোট এক হাজার ১৬টি কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে টিকা নেওয়া শিশুরাও এ ক্যাম্পেইনে অতিরিক্ত একটি ডোজ পাবে, যা তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বাড়াবে। ক্যাম্পেইন সফল করতে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সিভিল

নীলফামারীতে ২ লক্ষাধিক শিশুকে দেওয়া হবে হামের টিকা

সারাদেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নীলফামারীতে শুরু হচ্ছে টিকাদান ক্যাম্পেইন। এ কর্মসূচির আওতায় জেলায় ২ লাখ ১০ হাজার ২৬৯ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে ইপিআই সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক জানান, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত জেলাজুড়ে এই ক্যাম্পেইন চলবে। এতে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশুকে বিনামূল্যে এক ডোজ হামের টিকা দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, জেলার ছয়টি উপজেলা ও দুটি পৌরসভায় মোট এক হাজার ১৬টি কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে টিকা নেওয়া শিশুরাও এ ক্যাম্পেইনে অতিরিক্ত একটি ডোজ পাবে, যা তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বাড়াবে।

ক্যাম্পেইন সফল করতে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‌‘হামমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এই ক্যাম্পেইন গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শিশু যেন টিকা থেকে বাদ না পড়ে এবং অভিভাবকেরা যেন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হন, সে বিষয়ে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

আমিরুল হক/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow