নেতানিয়াহু চান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ হোক

পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ হোক এমনটাই চান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা।  মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আলজাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন বলা হয়েছে, আলোচনা ভেস্তে গেলে ইরান ও লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে পারবে ইসরায়েল। অন্তত এমনটাই মনে করছেন নেতানিয়াহু ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা।   বর্তমানে দুই সপ্তাহের জন্য সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ। তবে এ বিরতি ইসরায়েল সরকারের জন্য অনুকূল নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ, তারা ইরান ও লেবানন দুই দেশের বিরুদ্ধেই বড় ধরনের সাফল্যের আশা করছিল।   এর আগে ইসরায়েল দাবি করে আসছিল, ইরান ও লেবাননের পরিস্থিতি আলাদা। কিন্তু এখন বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ লেবাননেও তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।  এদিকে হুমকি অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সম্প্রতি লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রধানকে হত্যার হুমকি দিয়ে বলেন, তাকে চড়া মূল্য দিতে হবে। এ পরিস্থিতিতে ইসরায়েল আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে লেবাননে সেনা মোতায়েন বৃদ্ধ

নেতানিয়াহু চান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ হোক

পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ হোক এমনটাই চান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুসহ দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা। 

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আলজাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদন বলা হয়েছে, আলোচনা ভেস্তে গেলে ইরান ও লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে পারবে ইসরায়েল। অন্তত এমনটাই মনে করছেন নেতানিয়াহু ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা।  

বর্তমানে দুই সপ্তাহের জন্য সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ। তবে এ বিরতি ইসরায়েল সরকারের জন্য অনুকূল নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ, তারা ইরান ও লেবানন দুই দেশের বিরুদ্ধেই বড় ধরনের সাফল্যের আশা করছিল।  

এর আগে ইসরায়েল দাবি করে আসছিল, ইরান ও লেবাননের পরিস্থিতি আলাদা। কিন্তু এখন বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ লেবাননেও তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। 

এদিকে হুমকি অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সম্প্রতি লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রধানকে হত্যার হুমকি দিয়ে বলেন, তাকে চড়া মূল্য দিতে হবে।

এ পরিস্থিতিতে ইসরায়েল আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে লেবাননে সেনা মোতায়েন বৃদ্ধি ও দখল করা এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার না করা। এছাড়াও তারা এমন চুক্তিগুলো ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করবে যা তাদের ইরান ও লেবাননে ভবিষ্যৎ সামরিক অভিযান বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow